বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারকেই সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে হবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রোহিঙ্গাদের ওপর নিধন অভিযানের দুই বছর পূর্তিতে গতকাল মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, দুই বছর আগে রাখাইন রাজ্যে কয়েকটি পুলিশ চেকপোস্টে বিদ্রোহীদের হামলার পর অসামঞ্জস্যহীনভাবে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বর হামলা চালায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী। সেনাদের নৃশংসতার মুখে সাত লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। শুধু রাখাইনেই মিয়ানমার সেনাবাহিনী গত ৭০ বছর ধরে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেনি। রাখাইনের পাশাপাশি এখনো কাচিন ও শান রাজ্যে সেনারা নিপীড়ন চালাচ্ছে। আমরা সকল পক্ষকে মানবাধিকারের প্রতি সম্মান দেখাতে এবং মানবিক সহায়তা প্রবেশে ও শান্তির জন্য রাজনৈতিক সংলাপে যুক্ত হতে আহবান জানাচ্ছি। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য আমরা বাংলাদেশের উদারতার প্রশংসা করছি।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরো বলেছে, মিয়ানমারের একটি সমৃদ্ধ গণতন্ত্রের জন্য ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। রাখাইনে স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে আমাদের আহবান অব্যাহত থাকবে। বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানের নেতৃত্বাধীন কমিশন বেশ কিছু সুপারিশ করেছিলো। আমরা এসব সুপারিশ বাস্তবায়নের মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহবান জানাই।
