১৫ আগস্টের খুনিরা পুরস্কার না পেলে জিয়াও হয়তো খুন হতেন না :কাদের

আপডেট : ২৫ আগস্ট ২০১৯, ২২:০০

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু এবং দেশের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন জিয়াউর রহমান। আর বিশ্বাসঘাতকতা করে জিয়া নিজেও বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয়েছেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে গতকাল রবিবার ঢাকায় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি আরো বলেন, পঁচাত্তরের হত্যাকারীদের যদি সে সময় পৃষ্ঠপোষকতা করা না হতো, খুনিদের বিচারের পথ বন্ধ করতে যদি ইমডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা না হতো, তাহলে ১৯৮১ সালে আরেকটি হত্যাকাণ্ড হতো না। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের খুনিরা যদি পুরস্কৃত না হতো তাহলে জেনারেল জিয়াকেও আর একটি খুনি চক্র খুন করার দুঃসাহস পেত বলে আমার মনে হয় না। ঐ হত্যাকাণ্ড নাও ঘটতে পারতো। যে বুলেট শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে এতিম করেছে, সেই একই বুলেট খালেদা জিয়াকে বিধবা করেছে। এই হত্যাকাণ্ডের রাজনীতির পরিণতি সবার জন্য খারাপ।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের লোকেরা জেনারেল জিয়াকে খুন করতে যায়নি। তার আপন লোকেরাই তাকে হত্যা করেছে। জিয়া পরিবারের বিশ্বাসঘাতকতাই অনেকের মাঝে বিশ্বাসঘাতকতা উসকে দিয়েছে। পঁচাত্তরের ঘাতকদের আমরা চিনি। পেছন থেকে কারা তাদের সহযোগিতা করল, পৃষ্ঠপোষকতা করল, বিদেশে চলে যেতে সাহায্য করল, তাদেরও আমরা চিনি। তিনি আরো বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড ও ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার পর দেশের রাজনীতিতে অভেদ্য দেওয়াল গড়ে উঠেছে। এই দুটি ঘটনায় রাজনীতিতে পারস্পরিক সম্পর্কের অবনতি হয়েছে।

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির চেয়ারম্যান শেখ কবির হোসেন, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম ইসমাইল হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের পরিচালক, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।