হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে ফ্যালফ্যাল করে নিজের সন্তান দুটোর দিকে তাকিয়ে থাকেন লিলি বাড়ৈ। সে চোখে অক্ষমতার জল বাসা বেঁধেছে। অনবরত গড়গড় করে গড়িয়ে পড়ে সে জল। ক্রমে ঝাপসা হতে থাকে চোখ। ঝাপসা হয়ে যায় সামনে দাঁড়িয়ে থাকা শিশুসন্তানদের চেহারা। কিন্তু লিলি বাড়ৈর মনে তখনো টগবগে স্বপ্ন। নিজের জীবনের অপ্রাপ্তিগুলো সন্তানদের মাঝে দেখতে চান না বলে তাদের মানুষ করতে চেয়েছেন মনের মতো করে। কতো স্বপ্ন সাজিয়েছেন সন্তানদের ঘিরে! শুরুও করেছিলেন সেভাবে। বড়ো সন্তান প্রীতমকে স্কুলে দিয়েছেন। ছোটোটিকেও তৈরি করছিলেন আস্তে আস্তে। কিন্তু বাদসাধে মরণব্যাধী ক্যান্সার। চিকিত্সার এত টাকা জোগাড় করা তার পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়। তবুও তার পরিবারের সবটুকু সামর্থ্য এর মধ্যে চিকিত্সার জন্য খরচ করে ফেলেছেন। ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ডাক্তাররা নিশ্চিত হন যে তার ব্লাড ক্যান্সার হয়েছে। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের হেমাটলজি বিভাগে ভর্তি করা হয়। তিনি সেখানে ৯০২ ওয়ার্ডের, ২২ নম্বর বেডে চিকিত্সাধীন। চিকিত্সকরা জানিয়েছেন আপাতত তার কেমোথেরাপি দিয়ে চিকিত্সা শুরু করতে হবে। এতে শুরুতেই দরকার প্রায় ১০ লাখ টাকা। তার পক্ষে এ ব্যয় বহন করা সম্ভব না। তাই তিনি সহায়তা চেয়েছেন বিত্তবানদের কাছে।
লিলি বাড়ৈকে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা- অ্যাকাউন্ট নম্বর-পরশ বাড়ৈ, ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংক লিমিটেড, নম্বর-০৫০৩২০১০০০০৪৭৮৩৫, মোহাম্মদপুর শাখা, ঢাকা। বিকাশ নম্বর-০১৯৪৯৪১১০৩১।
