ইংল্যান্ডের সংকেতের অপেক্ষায় সাইফ

আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০১৯, ২১:০৭

সাইফউদ্দিনের ইনজুরিটা কেনো হয়, সেটা জানতে বায়োমেকানিক পরীক্ষা করানোর চেষ্টায় আছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। সে জন্য তারা ইংল্যান্ডের একটি ক্রীড়া গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করছে। প্রতিষ্ঠানটি এই পরীক্ষা করার ব্যাপারে প্রাথমিক সবুজ সংকেত দিয়েছে। এখন চূড়ান্তভাবে তারা ‘হ্যাঁ’ বললেই সাইফউদ্দিনকে ইংল্যান্ডে পাঠিয়ে দেওয়া হবে পরীক্ষার জন্য।

পিঠের ব্যথায় ভুগছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। যাকে চিকিত্সা বিজ্ঞানের ভাষায় ফ্যাসিট জয়েন্ট পেইন। ইনজেকশন দিয়ে ব্যথা নিবারণের আপাত চেষ্টা হয়েছে। তাতে সফলতা পুরোপুরি আসেনি। সাময়িক ব্যথামুক্ত থাকলেও আবার বোলিং শুরু করতেই ব্যথা ফিরে আসছে সাইফউদ্দিনের।

এ পেস বোলিং অলরাউন্ডারের ইনজুরির গভীরে নজর দিতে চায় বিসিবির চিকিত্সা বিভাগ। ব্যথা বারবার ফিরে আসার মূল কারণ বের করতে চেষ্টা করবে বিসিবি। এজন্য সাইফউদ্দিনের বায়োমেকানিক্যাল পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তারপরই ঠিক হবে চিকিত্সা পদ্ধতি।

বায়োমেকানিক্যাল পরীক্ষা করাতে হবে দেশের বাইরে। অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও ভারতে এ পরীক্ষা করা যায়। এর মধ্যে বিসিবির সাথে ইতিবাচক যোগাযোগ হয়েছে ইংল্যান্ডের ন্যাশনাল সেন্টার ফর স্পোর্টস ও এক্সারসাইজ মেডিসিন নামে প্রতিষ্ঠানের। তারা সাইফউদ্দিনের এই পরীক্ষা করতে প্রাথমিকভাবে সম্মত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি যে যে কাগজপত্র চেয়েছিল তা পাঠানো হয়েছে।

গতকাল বিসিবির প্রধান চিকিত্সক দেবাশীষ চৌধুরী বললেন, তারা আশা করছেন, দুই-একদিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে। আর তেমন হলেই পাঠিয়ে দেওয়া হবে এই অলরাউন্ডারকে, ‘ওরা আমাদের কাছে কিছু পরীক্ষার কাগজপত্র চেয়েছিল। সেগুলো পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত তারা ইতিবাচক। আশা করছি, দুই-এক দিনের মধ্যে তারা নিশ্চিত করবে যে, পরীক্ষাটা ওরা করবে কি না।’

বিসিবির প্রধান চিকিত্সকের ধারণা, কিশোর বয়স থেকে এই সমস্যায় পড়েছেন সাইফউদ্দিন। তখন সময়ের তুলনায় বেশি বোলিং করেছেন এই তরুণ। যার ফলে তার পিঠের ওপর চাপ পড়েছে প্রচণ্ড। ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট হয়নি বলে এখন সমস্যাটা তীব্র হয়ে ধরা দিয়েছে। এখন চিকিত্সকরা চাইছেন, এমন পদ্ধতি ঠিক করে দিতে যাতে সাইফউদ্দিন ওয়ার্কলোড ম্যানেজ করে নিজের ক্যারিয়ার চালিয়ে যেতে পারেন।