নর্দ রাইন ভেস্টফালেন অঙ্গরাজ্য শাখা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ‘১৫ আগস্ট ১৯৭৫ থেকে ২১ শে আগস্ট ২০০৪ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক রক্তাক্ত কালো অধ্যায়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
জার্মান আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাবু জাফর স্বপনের সভাপতিত্বে ও সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোবারক আলী ভূঁইয়া বকুলের পরিচালনায় স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সদস্য ও জার্মান আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মো. শাহাবুদ্দিন। প্রধান বক্তা ছিলেন অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমান আলম। বিশেষ বক্তা ছিলেন বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন জার্মানির চেয়ারম্যান মাহফুজ ফারুক।
আরও বক্তব্য দেন নর্দান রাইন ভেষ্ট ফালেন অঙ্গ রাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খালেক জামান, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর আলম, সাবেক সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল হুদা বাবু, কৃষি বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. নুর-ই-আলম সিদ্দিকী, গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম সংগঠক মাহমুদুল হক মুন্সি, এনআরবি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক অমিত মজুমদার, ইমানুর রহমান মুসা, সাংগঠনিক সম্পাদক বেলাল হোসেন।
আরো পড়ুন: ইয়েমেন ছোড়া ৬টি ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আরবে
বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ২০০৪ সালের হত্যা-চেষ্টার উদ্দেশ্যের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। পার্থক্য একটাই, ১৯৭৫ সালে এই উদ্দেশ্য সফল হয়েছে। ২০০৪ সালে তা ব্যর্থ হয়েছে।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় নেতাদের হত্যাকাণ্ডে নেপথ্যের একজন ছিলেন জিয়াউর রহমান। ২০০৪ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার নেপথ্য নায়কদের প্রধান ছিলেন জিয়াপুত্র তারেক রহমান। তিনি তারেক রহমানকে অবিলম্বে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
সভায় একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আইভি রহমানসহ নিহত ব্যক্তিদের রুহের মাগফিরাত ও আহত ব্যক্তিদের সুস্থতা কামনা করে দোয়া করা হয়।
ইত্তেফাক/বিএএফ
