মাগুরায় কুমার ও মধুমতি নদীতে দেশি মাছের অভয়াশ্রম

আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০১৯, ২১:৫৩

মাগুরায় কুমার ও মধুমতি নদীতে দুটি অভয়াশ্রম করা হয়েছে। ফলে মা মাছ ডিম পেড়ে বংশবৃদ্ধির মাধ্যমে দেশি মাছের উত্পাদন বৃদ্ধি করতে পারে। দেশীয় প্রজাতির মাছকে রক্ষা করতে এবং মাছের বংশবৃদ্ধির জন্য এই দুটি নদীর অভয়াশ্রম এলাকার মা মাছ না ধরার জন্য নদীর মধ্যে লাল পতাকা লাগানো হয়েছে।

জানা গেছে, দেশি প্রজাতির মাছ অনেকটা বিলুপ্তির পথে। আগের মতো দেশি প্রজাতির মাছ টেংরা, বেলে, পাবদা, গুতে, কাকিলা, রিটা, রয়না, পুঁটি, কই, মাগুর, সিং প্রভৃতি মাছ পাওয়া যায় না। পূর্বে নদীতে সারাদিন মাছ ধরে একজন জেলে দৈনিক ১ হাজার টাকার দেশি প্রজাতির মাছ পেতেন। বর্তমানে সারাদিন নদীতে ঘুরেও ১০০ থেকে ১৫০ টাকার মাছ পান না। যা দিয়ে তাদের সংসার চলে না।

মত্স্যজীবীরা বলেন, নদীতে ঘন ঘন বাঁধ দেওয়ার ফলে দেশি মাছ ডিম দিতে না পারার কারণে দেশি মাছের বংশবৃদ্ধি হচ্ছে না। ফলে দেশি মাছ বিলুপ্ত হতে চলেছে। বর্তমানে দেশি জাতের মাছ পাওয়া যায় না। পাওয়া গেলেও নগণ্য অত্যধিক দাম। যা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। সেজন্য দেশি জাতের মাছের বংশবৃদ্ধির জন্য কুমার ও মধুমতি নদীতে মা মাছ ডিমওয়ালা মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নদীতে অভয়াশ্রমে লাল পতাকা টাঙানো হয়েছে। মা মছের ডিম পাড়ার স্থানে এই দুটি নদীতে অভয়াশ্রমে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

মাগুরা জেলা মত্স্য কর্মকর্তা নারায়ণ চন্দ্র দাস জানান, দেশি জাতের মাছ বিলুপ্ত হচ্ছে ঠিক নয় কিছুটা কমছে। দেশি জাতের মাছ রক্ষার জন্য দুটি মাছের অভয়াশ্রম করা হয়েছে। যার ফলে দেশি জাতের উত্পাদন বৃদ্ধি পাবে।