রিফাত শরীফ হত্যার দুই মাস অতিবাহিত হলেও গ্রেফতার হয়নি এ মামলার অন্যতম চার আসামি। সরাসরি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত এ চার আসামি হলেন মো. মুছা, মুহাইমিনুল ইসলাম শিফাত, রিফাত হাওলাদার ও মো. হাসান। মামলার প্রধান সাক্ষী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতারের পর অধরাদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে তোড়জোড় নেই বললেই চলে। বারবার সময় নিয়েও আদালতে চার্জশিট জমা দিতে পারেনি পুলিশ। দুটি আদালতে বাতিলের পর মিন্নির জামিন আবেদন এখন হাইকোর্টে। কেন মিন্নিকে জামিন দেওয়া যাবে না—এ বিষয়ে জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। এদিকে রিফাত হত্যা মামলাটি নিয়ে বরগুনার স্থানীয় রাজনীতি এখনো উত্তপ্ত।
গত ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের গেটের সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে নয়ন বন্ড, রিফাত, রিশান ফরাজীসহ একটি দুর্বৃত্ত চক্র। রাতে রিফাত হাসপাতালে মারা যান। হত্যার দৃশ্য ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়। ২৭ জুন এ বিষয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো পাঁচ-ছয় জনকে আসামি করে মামলা করেন রিফাতের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ। প্রধান সাক্ষী হন রিফাতের স্ত্রী মিন্নি। ২ জুলাই প্রধান আসামি নয়ন বন্ড ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন। ১৪ জুলাই রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ মিন্নিকে হত্যা মামলায় জড়িত বলে গ্রেফতারের দাবি করেন। ১৬ জুলাই মিন্নিকে গ্রেফতার করা হয়।
মিন্নির আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম বলেন, ‘মিন্নিকে সাক্ষী থেকে আসামি করার মধ্য দিয়ে এ মামলার মূল সাক্ষী কেউ রইল না। অর্থাত্, মামলটি পুরোপুরি নির্ভর করছে তদন্ত কর্মকর্তার ওপর। তিনি যেসব তথ্য-প্রমাণ উপাস্থপন করবেন, তার ভিত্তিতেই মামলার বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।’
