শূকরের মাংস মিশ্রিত ফিশ ফিড আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কাস্টমসের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট করেছে। আদালত থেকে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য ছয় কর্মদিবসের মধ্যে বিসিএসআইআর ল্যাবে আমদানি ফিশ ফিডের নমুনা পরীক্ষার নির্দেশ প্রদান করে। চট্টগ্রাম কাস্টমসের পক্ষ থেকে হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম কাস্টমসের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়, ফিশ ফিডের নামে আমদানিকৃত ১১টি চালানের শতাধিক কনটেইনারে শূকরের মাংস ও বর্জ্য মিশ্রিত উপাদান পাওয়া গেছে। আমদানি নীতির আলোকে মাছের বা পশুর খাদ্যে শূকরের মাংস বা বর্জ্য মিশ্রিত উপাদান থাকতে পারবে না। গত রমজানে আমদানিকৃত এ মাছের খাদ্য চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের রাসায়নিক পরীক্ষাগার, আইসিডিডিআরবি, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পিআরটিসি, বিসিএসআইআরে পরীক্ষা করা হয়। বিসিএসআইআর ছাড়া বাকি তিনটি ল্যাবরেটরিতে আমদানিকৃত ফিশ ফিডে শূকরের মাংসসহ বর্জ্য মিশ্রিত উপাদান পাওয়া গেছে।
চট্টগ্রাম কাস্টমসের কমিশনার মো. ফখরুল আলম জানান, ‘আমদানিকৃত ফিশ ফিডের ব্যাপারে পুরো তথ্য তুলে ধরে আপিল করার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেল দপ্তরে গত ২২ আগস্ট চিঠি দেওয়া হয়েছে। একাধিক পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা করে মিট এবং বোন মিল পাওয়া যায় বলে রিপোর্টে জানানো হয়।’
কাস্টমসের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, নমুনা পরীক্ষায় চারটি ল্যাবরেটরির মধ্যে তিনটিতে মিট এবং বোন মিল পাওয়া গেছে। যে একটিতে এ ধরনের মিট বা বোন মিল পাওয়া যায়নি বলে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে, আদালত সেই ল্যাবরেটরিতেই নমুনা পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে।
