পুরান ঢাকার নবাবপুর রোডে শহিদ বুদ্ধিজীবীর বাড়ি দখলে সহায়তার অভিযোগে পুলিশের ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ ইব্রাহীম খানকে সাসপেন্ড করা হলেও অভিযুক্ত আরো দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। এই দুই সদস্য হলেন—ঘটনার সময় দায়িত্বে থাকা বংশাল থানার ওসি সাহিদুর রহমান ও নবাবপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই জাহাঙ্গীর আলম।
পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি (পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১) আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত তদন্ত রিপোর্টে ডিসি ইব্রাহীম খানের পাশাপাশি এই দুই পুলিশ সদস্যকে পরোক্ষভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে পরিদর্শক সাহিদুর রহমান কোতোয়ালি থানার ওসি এবং এসআই জাহাঙ্গীর আলম মতিঝিলে আল-হেলাল পুলিশ বক্সের সহকারী ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তদন্ত রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, ২২১, নবাবপুর রোডের ৪ কাঠা জমির ওপর তিন তলা বাড়ি দখলের পাশাপাশি পাশের ২২২ ও ২২৩ নম্বর হোল্ডিংসে আরো দুইটি জমি দখলে সহায়তা করেছেন ডিসি ইব্রাহীম খান ও ঐ দুই পুলিশ সদস্য। গতকাল পর্যন্ত এই দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র নিশ্চিত করেছে।
