পাঁচ দিনে এডিস মশার লার্ভা মিলেছে ২২৩ বাড়িতে

আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০১৯, ২১:২৯

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) কাউন্সিলররা এডিস মশা নির্মূলে ‘চিরুনি অভিযান’ অব্যাহত রেখেছেন। ডিএনসিসির চলমান এডিস মশা ধ্বংসকরণ ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত চলছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ডিএনসিসি থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য দেওয়া হয়। সম্প্রতি ডেঙ্গু দমনে ‘চিরুনি অভিযানে’র ঘোষণা দিয়েছিলেন ডিএনসিসির মেয়র আতিকুল ইসলাম।

ডিএনসিসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কর্মীগণ অভিযানের পঞ্চম দিনে ডিএনসিসির ৩৬টি ওয়ার্ডে ১০ হাজার ৭৩৮টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে। এর মধ্যে ১৯৪টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা খুঁজে পায়। লার্ভা পাওয়া এসব বাড়ি ও স্থাপনায় ‘এ বাড়ি/স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়’ লেখা স্টিকার লাগানো হয়। এ ছাড়া ৬ হাজার ৩৪৮টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার বংশবিস্তার উপযোগী স্থানে জমে থাকা পানি পাওয়া যায়। এডিস মশার বংশবিস্তারের উপযোগী এসব স্থান ধ্বংস করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, প্রতিটি ওয়ার্ডের সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলররা ‘চিরুনি অভিযান’ সক্রিয়ভাবে তত্ত্বাবধান করছেন। গত ২৫ আগস্ট থেকে পাঁচ দিনে ৩৬টি ওয়ার্ডে সর্বমোট ৫৩ হাজার ২৩২টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে মোট ১ হাজার ২২৩টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা খুঁজে পাওয়া যায়। এ ছাড়া ২৭ হাজার ৪৮৩টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার বংশবিস্তার উপযোগী স্থানে জমে থাকা পানি পাওয়া যায়। এডিস মশার লার্ভা নির্মূলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জুলকার নায়ন, এস এম শফিউল আজম, মীর নাহিদ আহসান ও সালেহা বিনতে সিরাজের নেতৃত্বে ডিএনসিসির বিভিন্ন এলাকায় পৃথক পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় সাতটি বাড়ির মালিককে সতর্ক করা হয়। এ ছাড়া উত্তরায় ফুটপাত ও রাস্তায় দখল করে নির্মাণসামগ্রী রাখার অপরাধে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জুলকার নায়ন ‘অ্যাশিওর ডেভেলপার’ ও ‘ডি এম ইকবাল’কে যথাক্রমে ১০ হাজার ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। রাস্তা দখল করে নির্মাণসামগ্রী রাখার অপরাধে দক্ষিণ বিশিলে একটি নির্মাণাধীন বাড়ির মালিককে নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট এস এম শফিউল আজম ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন।