শোক দিবসের আলোচনা

‘মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তিই ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড ঘটায়’

আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০১৯, ২১:৩০

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ বলেছেন, পাকিস্তান কখনোই বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্রভাবনায় ছিল না। তার রাষ্ট্রভাবনা জুড়ে ছিল বাঙালির জন্য একটি স্বাধীন আবাসভূমি। গতকাল বৃহস্পতিবার পুরান ঢাকার বাংলাবাজার চত্বরে আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভিসি। বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি আয়োজিত এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা ছয় আসনের সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মো. আরিফ হোসেন ছোটন। আলোচনায় আরো অংশ নেন সমিতির সহসভাপতি শ্যামল পাল, কামরুল হাসান শায়ক, ঢাকা মহানগর সভাপতি মাহজারুল ইসলাম, জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ। উপস্থিত ছিলেন জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সাবেক সভাপতি ওসমান গণি, কলকাতার পদ্মভারতী প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ও বুক সেলার্স অ্যান্ড পাবলিশার্স গিল্ডের সভাপতি ত্রিদিব চ্যাটার্জি, একই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এবং দেজ প্রকাশনীর মালিক সুধাংশু শেখর।

ড. হারুন-অর-রশিদ বলেন, ঐ মুক্তিযুদ্ধে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীই শুধু পরাস্ত হয়নি, পাকিস্তানের সমর্থক কোনো কোনো বৃহত্ ও পরাশক্তিও পরাজয় বরণ করে। স্নায়ুদ্ধকালীন বিশ্ব রাজনীতির বিবদমান পরিবেশ-পস্থিতিতে ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত দেশি-বিদেশি মহলবিশেষ এক গভীর ষড়যন্ত্রের নীলনকশা অনুযায়ী ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে, যার নির্মম শিকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের উপস্থিত সব সদস্য। অতএব ঐ হত্যাকাণ্ড কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না এবং এটিও আদৌ ঠিক নয় যে, এক দল বিপথগামী সেনাসদস্য এ হত্যাকাণ্ড­ সংঘটিত করেছে।

কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, যেহেতু এই হত্যাকাণ্ডে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা জড়িত তাই আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন গঠন করে নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করতে হবে।