আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, রোহিঙ্গাদের নিজ বাসভূমি রাখাইনে ফেরত পাঠানো নিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশ যুদ্ধ করতে চায় না। এ ব্যাপারে কূটনৈতিক তত্পরতা অব্যাহত আছে। সূক্ষ্ম কূটনৈতিক তত্পরতার মাধ্যমেই রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিএনপি এখন জাতীয় ঐক্যের কথা বলছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, সারাবিশ্ব মিয়ানমারকে চাপ দিচ্ছে, বাংলাদেশের মানুষও এই ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ। এখন এই ঐক্যে ফাটল ধরাতে, রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে বিএনপি জাতীয় ঐক্যের কথা বলছে। তিনি বলেন, ‘এতে আপনারা কখনো সাড়া পাবেন না। আপনাদের জাতীয় ঐক্য করতে হবে না। এই ইস্যুতে জাতীয় ঐক্য রয়েছে।
বিএমএর সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, বিএমএর মহাসচিব এহতেশামুল হক চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য শহীদুল্লাহ সিকদার, বিএমএর নেতা শরফুদ্দিন আহমেদ, ডা. শফিকুর রহমান, ডা. জামালউদ্দিন খলিফা, ডা. মো. নজরুল ইসলাম প্রমূখ।
পদ্মা সেতু প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৭৩ শতাংশ
এদিকে গতকাল সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপির উপস্থিতিতে পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার প্রদত্ত ঋণ পরিশোধের জন্য অর্থ বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মধ্যে একটি ঋণ পরিশোধ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিপত্রে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষে সেতু বিভাগের পরিচালক (অর্থ) ড. মো. মনিরুজ্জামান এবং অর্থ বিভাগের পক্ষে অতিরিক্ত সচিব মো. এখলাছুর রহমান স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘পদ্মা সেতু প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৭৩ শতাংশ। কাজ যেভাবে এগোচ্ছে, তাতে ২০২০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সেতুর কাজ শেষ হবে।’
গতকাল চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সেতু বিভাগের সিনিয়র সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, অর্থ বিভাগের সচিব আব্দুর রউফ তালুকদারসহ অর্থ বিভাগ, সেতু বিভাগ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
