চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই এগিয়ে যেতে হয়

আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০১৯, ২০:২৮

উ দ্যোক্তার জন্য চ্যালেঞ্জ থাকবেই, কিন্তু তা মোকাবিলা করে লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়াই হচ্ছে উদ্যোক্তা উন্নয়ন। যেভাবে একজন ব্যক্তি তার ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে জাতীয় জীবনেও ভূমিকা রাখতে পারেন। দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে উদ্যোক্তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তবে ব্যবসায় ‘ইনোভেশন’টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে জানালেন তরুণ উদ্যোক্তা গোলাম মো. মুহিত। তিনি দি গ্র্যান্ড প্লাসিড হোটেল ও প্লাসিড রুপিং শিট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। একই সঙ্গে সামাদ এগ্রো ফার্মের প্রোপ্রাইটরও।

বিদেশে পড়াশোনা শেষে দেশে ফিরে নিজের ব্যবসা গড়লেন তিনি। তরুণদের জন্য অনুকরণীয় দেশের সেবা, শিল্প ও কৃষিখাতের এই উদ্যোক্তা বললেন, বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু করতে কিছু জটিলতা থাকলেও সস্তা শ্রম এবং শ্রমিকদের উত্পাদনশীলতার কারণে প্রবৃদ্ধি অর্জন সহজ। তবে ব্যাংকিং খাতের উচ্চ সুদ হার নতুন বিনিয়োগ তথা নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে বাধা হিসেবে কাজ করছে। তার মতে, তরুণ উদ্যোক্তারা অনেক সাহসী। কিন্তু উচ্চ সুদ হার এবং তহবিলের সহজপ্রাপ্যতা না থাকায় অনেকেই ঝুঁকি নিতে নিরুত্সাহিত হন। তার মতে, শুধু উচ্চ সুদই নয়, বরং দণ্ডসুদ প্রথাও ব্যবসাকে পিছিয়ে দিচ্ছে। এদেশে সরল সুদ চালু করা যায়নি। সরল সুদ চালু করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, সরল সুদ হলে উদ্যোক্তার কাঁধে বাড়তি সুদের বোঝা চাপত না। দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের বোঝাও এত বাড়ত না। আর কিছু ছাড়া অধিকাংশ ব্যবসায়ীই চান ব্যাংকের টাকা ফেরত দিতে। কিন্তু  জ্বালানি সংকটসহ অন্যান্য কারণে খেলাপি হয়ে পড়লে তাকে দণ্ড সুদ আরোপ করে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলা হয়। অথচ তাকে বের হবার সুযোগ দিয়ে পুনঃঅর্থায়ন করলে একটি ব্যবসায় উদ্যোগ যেমন টিকে যেতে পারে, তেমনি কর্মসংস্থানের সুযোগও প্রসারিত হতে পারে।

—জসিম উদ্দিন

 

 

 

০