গাজীপুরের খানাখন্দে ভরা দীঘিরচালা-বারবৈকা সড়ক

আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০১৯, ২৩:২৯

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন নগরীর ব্যস্ততম দীঘিরচালা-বারবৈকা সড়কটির বিভিন্ন স্থান ভেঙেচুরে ব্যাপক খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এ সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করতে প্রতিদিন এলাকাবাসীর চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

শুক্রবার সকালে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম চান্দনা চৌরাস্তার অল্প কিছু উত্তরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বুলবুল টাওয়ারের দক্ষিণ পাশে দীঘিরচালা-বারবৈকা মিরবহর পর্যন্ত সড়কটি প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ। সড়কটির বিভিন্ন অংশ বর্তমানে এমন ভগ্নদশায় উপনীত হয়েছে যে যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা এ সড়ক দিয়ে পায়ে হেঁটে চলাও অত্যন্ত দুষ্কর হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বুলবুল টাওয়ারের মোড় থেকে পশ্চিম পাশের অংশ, বিদ্যুত্ মার্কেট সংলগ্ন স্থান ও বারবৈকা দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদ পর্যন্ত সড়কটির অবস্থা খুবই শোচনীয়।

এসব অংশে সৃষ্ট ছোটো-বড়ো গর্তগুলো সামান্য বৃষ্টিতেই ড্রেনের নোংরা পানিসহ কাদা পানিতে সয়লাব হয়ে যায়। কোনো কোনো স্থানে হাঁটু পরিমাণ নোংরা কাদা পানি জমে থাকতে দেখা গেছে। এতে সড়কের পাশের দোকানের ব্যবসায়ীদের পড়তে হয়েছে দারুণ বিপাকে। প্রায়ই দোকানে পানি উঠে যায়, কাদাপানির কারণে ক্রেতা আসতে পারে না দোকানে।

এলাকাটিতে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ বসবাস করে। বাসিন্দাদের ৮০ ভাগই গার্মেন্টস শ্রমিক। সড়কটির এমন বেহাল দশার কারণে এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী ও আশপাশের গার্মেন্ট ফ্যাক্টরির শ্রমিক-কর্মচারীদের প্রতিনিয়ত চরম কষ্ট স্বীকার করে সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছে। এছাড়া দীঘিরচালা হাজী শরীয়তুল্লাহ মুন্সি সড়ক হয়ে ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের উত্তর পাশের শহিদ আশেক সড়ক পর্যন্ত রাস্তাটিরও বর্তমানে বেহাল দশা। এলাকাবাসী দ্রুত রাস্তাটির সংস্কার ও উন্নয়নের জন্য গাজীপুর সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় ১৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোসলেম উদ্দিন চৌধুরী মুছা বলেন, দীঘিরচালা-বারবৈকা সড়কটি সংস্কারের জন্য শিগগিরই টেন্ডার আহ্বান করা হবে। দীঘিরচালা-আশেক সড়ক পর্যন্ত এক কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটিতে উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। এ সড়কটিতে ড্রেন নির্মাণসহ আরসিসি প্যাটার্নে সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।