শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখলো নৌবাহিনী

আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২০:৪৯

গ্রীষ্মকালীন অ্যাথলেটিকস

স্পোর্টস ডেস্ক

সদ্যসমাপ্ত ১৫তম জাতীয় গ্রীষ্মকালীন অ্যাথলেটিকস শেষে সেরার আসন ধরে রাখল বাংলাদেশ নৌবাহিনী। ১৯টি স্বর্ণপদকসহ সর্বমোট ৪৬টি পদক জেতে তারা। এসএ গেমসের প্রস্তুতির উদ্দেশ্যে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা চারটি নতুন রেকর্ড দেখেছে। এখানেও নৌবাহিনীরই আধিপত্য। ২০০ মিটার স্প্রিন্টে শিরিন, ৪ গুনন ১০০ মিটার রিলে দৌড়ে শিরিন, সোহাগী, তামান্না ও দিশা এবং পুরুষদের হাইজাম্পে মাহফুজুর নতুন রেকর্ড গড়েছেন।

ইলেকট্রনিক টাইমিং এবং টাইমার পিস্তলের ব্যবহার এবারই প্রথম দেখা গেছে জাতীয় গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে। প্রথম দিনে হাইজাম্পে ১৫ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভাঙেন বাংলাদেশ জেলের অ্যাথলেট উম্মে হাফসা রুমকি। মেয়েদের হাইজাম্পে ১.৬৮ মিটার অতিক্রম করেন তিনি।

তবে দ্বিতীয় দিনের শুরুতে শিরিন ২৪.৯৭ সেকেন্ডে ২০০ মিটার স্প্রিন্ট শেষ করলে পেছনে পড়ে যায় তার সতীর্থ সোহাগীর ২৫.০৬ সেকেন্ডের রেকর্ডটি। সোহাগীর কীর্তিটি এসেছিল চলতি বছর জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় অ্যাথলেটিকসে।

এরপর ৪ গুনন ১০০ রিলে ৪৮.২৯ সেকেন্ডে শেষ করে সোহাগী, তামান্না, দিশা এবং শিরিন ২৮ বছরের পুরনো জাতীয় রেকর্ড ভাঙেন। ১৯৯১ সালে কলম্বোয় অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন গেমসে ফিরোজা, রাফেজা, নিলুফা এবং সুমিতা ৪৮.৫১ সেকেন্ডে এই ইভেন্টে রেকর্ডটি গড়েছিলেন।

শেষ বিকেলে পুরুষদের হাইজাম্পে নৌবাহিনীকে আরেকটি গৌরব এনে দেন মাহফুজুর রহমান। তিনি ২.১৫ মিটার লাফিয়ে নয় বছর আগে সজিব হোসেনের করা ২.১১ মিটারের রেকর্ডটি ভেঙে দেন।

দুই দিনের এই প্রতিযোগিতায় নৌবাহিনী ১৯টি স্বর্ণ, ১৫টি রৌপ্য এবং ১২টি ব্রোঞ্জ সর্বমোট ৪৬টি পদক নিয়ে শীর্ষস্থান দখলে রাখে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ১৪টি স্বর্ণ, ১৭টি রৌপ্য এবং ১০টি ব্রোঞ্জ পদকসহ মোট ৪১টি পদক নিয়ে রানার্সআপ হয়। একটি স্বর্ণ, দুটি রৌপ্য এবং দুটি ব্রোঞ্জ নিয়ে বিজেএমসি তৃতীয় স্থান অর্জন করে।