স্পোর্টস ডেস্ক
লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং ভার্জিল ফন ডাইক উয়েফার পর এবার ফিফা বর্ষসেরার সংক্ষিপ্ত তালিকাতেও একসাথে আছেন। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর ‘বেস্ট ফিফা ফুটবল অ্যাওয়ার্ডস ২০১৯’ অনুষ্ঠানে তাদের একজনের হাতে উঠবে ফিফা এই পুরস্কারটি।
গেল মৌসুমে বার্সেলোনার অধিনায়ক হওয়ার পর মেসি যেন আরো ক্ষুরধার হয়ে উঠেছিলেন। লা লিগায় ৩৬ গোল করার পাশাপাশি চ্যামিপয়ন্স লিগেও করেছিলেন ১২টি। তাতে ভর করে দল লিগ শিরোপা ধরে রাখলেও চ্যামিপয়ন্স লিগ পুনরুদ্ধার করতে পারেনি। তবে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের কারণে ব্যক্তিগত পুরস্কার ঠিকই জিতেছেন মেসি। পিচিচি, ইউরোপিয়ান গোল্ডেন স্যু জেতার পাশাপাশি হয়েছেন ইউরোপে গেল মৌসুমের বর্ষসেরা ফরোয়ার্ডও।
গেল মৌসুমের এমন পারফরম্যান্স এবার তাকে রেখেছে ফিফা বর্ষসেরার তালিকাতেও। এবার পুরস্কারটি পেলে ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বসেরার খেতাব জিতবেন মেসি।
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সামনেও আছে ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বসেরা হওয়ার হাতছানি। ঘরোয়া লিগ জয়ের পাশাপাশি জাতীয় দলের হয়েও উয়েফা নেশন্স লিগ জিতেছেন এই পর্তুগিজ, যা তাকে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মেসি থেকে কিছুটা এগিয়ে রাখছে। এ ছাড়াও নতুন দল জুভেন্তাসের হয়ে গেল মৌসুমে সিরি আতে করেছিলেন ২১ গোল। তার এ নৈপুণ্যে ভর করেই শিরোপা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছিল তুরিনের ক্লাবটি। লিগের সবচাইতে মূল্যবান খেলোয়াড়ের খেতাব জিতেছিলেন তিনি। এছাড়াও চ্যামিপয়ন্স লিগে ছয় গোল করেছিলেন রোনালদো।
ভার্জিল ফন ডাইক লিভারপুলের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সাফল্যের কারণে বিশ্বসেরা হবার দৌড়ে ভালোভাবেই আছেন । ২০১৭-১৮ মৌসুমে দারুণ আক্রমণভাগ থাকলেও ভঙ্গুর রক্ষণভাগের জন্য ঘরোয়া ও ইউরোপীয় পরিসরে ভুগেছিল লিভারপুল। কিন্তু গেল মৌসুমে এই ডিফেন্ডারের অন্তর্ভুক্তি লিভারপুল রক্ষণকে প্রিমিয়ার লিগের সেরায় পরিণত করেছে।
নেদারল্যান্ডসের এই খেলোয়াড়টির নৈপুণ্য লিভারপুলকে চ্যামিপয়ন্স লিগ পুনরুদ্ধারেও সহায়তা করেছে। জাতীয় দলের হয়েও বেশ সফল ফন ডাইক। বিশ্বকাপে উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হওয়া নেদারল্যান্ডসকে উয়েফা নেশন্স লিগের ফাইনাল পর্যন্ত নিয়ে যেতে সহায়তা করেছিলেন তিনি। যারই ফলে ইউরোপসেরার পুরস্কারও জিতেছিলেন তিনি।
