৩৮ জনের স্থলে কর্মরত আছেন দুই চিকিত্সক!

আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১:০৬

কুলাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

কুলাউড়া (মৌলভীবাজর) সংবাদদাতা

কুলাউড়া উপজেলা সদরের ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় ডাক্তারের অভাবে রোগীরা চিকিত্সাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। গত ২৪ আগস্ট এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করুণ অবস্থা সংক্রান্ত একটি সচিত্র সংবাদ প্রকাশের পর আরো দুই জন চিকিত্সক উচ্চতর প্রশিক্ষণে অন্যত্র চলে গেছেন। ফলে ৩৮ জন চিকিত্সকের স্থলে কর্মরত ছিলেন চার জন। বর্তমানে আছেন মাত্র দুই জন। তাদের স্থলে কোনো চিকিত্সক পদায়ন করা হয়নি । অন্য কর্মচারীদের ২৬ পদ শূন্য থাকার পর গত সোমবার এই প্রকল্পের একজন সেকমো, একজন সিনিয়র স্টাফ নার্স ও একজন আয়াকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কুলাউড়া উপজেলার ৫ লাখ অধিবাসী ও পার্শ্ববর্তী জুড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইনডোর চালু না হওয়ায় এই দুটি উপজেলার অর্ধশত চা বাগানের শ্রমিক ও পাহাড়ি উপজাতি জনপদের লোকদের চিকিত্সাসেবার অন্যতম ভরসা কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। তাছাড়াও বিয়ানীবাজার-ঢাকা ব্যস্ততম সড়কের পাশে অবস্থিত এই কমপ্লেক্সে প্রায়ই দুর্ঘটনাকবলিত রোগীরা চিকিত্সা নিতে আসেন। প্রান্তিক পর্যায়ে ইউনিয়ন সাব সেন্টারগুলোতে কোনো ডাক্তার নেই। কমপ্লেক্সে চিকিত্সা সেবা যতই করুণ হচ্ছে ততই এই শহরে প্রতি শুক্রবার বহিরাগত ডাক্তারের উপস্থিতি বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সুইপারের অভাবে কমপ্লেক্সের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিঘ্নিত হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসারের পদ দীর্ঘদিন যাবত্ শূন্য।

স্বাস্থ্য প্রশাসক ডা. নূরুল হক জানান, চিকিত্সক সংকটের কথা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। জেলা সিভিল সার্জন ডা. শাহজাহান কবির চৌধূরী জানান, বিদ্যমান এইসব সমস্যা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানো হয়েছে। প্রতিমাসে শূন্য পদের তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবরে পাঠানো হয়।