ভালো কিছুর প্রত্যাশায় থাইল্যান্ড যাচ্ছে বাংলাদেশ দল

আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২০:৪১

এএফসি

অনূর্ধ্ব-১৬

নারী

চ্যাম্পিয়নশিপ

 স্পোর্টস রিপোর্টার

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৬ নারী দলের এএফসি চ্যাম্পিয়নশিপে চূড়ান্ত পর্বের অভিজ্ঞতাটা মোটেও সুখকর নয়। ২০১৭ সালে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ আসরে তিন ম্যাচের সবকটিতে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের। এবারও থাইল্যান্ডেই হবে টুর্নামেন্টটি। টানা দ্বিতীয়বারের মতো অংশ নিতে যাওয়া বাংলাদেশের মেয়েরা এবার হারের বৃত্ত থেকে বেরোতে চায়।

আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর স্বাগতিক থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে এই প্রতিযোগিতার অষ্টম আসরে লড়াইয়ে নামবে বাংলাদেশ। অধিনায়ক মারিয়া মান্ডার দল পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে খেলাটির দশ দিন আগে আগামীকাল থাইল্যান্ড যাবে। সেখানে ৬, ৯ এবং ১১ সেপ্টেম্বর স্থানীয় দুটি দলের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচও খেলবে বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব ১৬ নারী দল।

গেল আসরে উত্তর কোরিয়া, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচেই হারার পাশাপাশি ১৫ গোল হজম করেছিল বাংলাদেশ দল। বিপরীতে গোল করতে পেরেছিল মাত্র দুটি! তবে গতবারের সঙ্গে এবারের বেশ পার্থক্য দেখছেন কোচ গোলাম রব্বানি ছোটন। টানা দুই বছর আন্তর্জাতিক ম্যাচের অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ দলকে নিয়ে গেলবারের হতাশাকে পেছনে ফেলতে চান তিনি। কোচ ছোটন গতকাল বাফুফে ভবনে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘গতবার এক পর্বের বাছাই খেলার কারণে ম্যাচ অভিজ্ঞতা কম ছিল আমাদের। এবার দুই পর্বের বাছাই খেলেছি আমরা। বছরের শুরুতে দ্বিতীয় পর্বে মিয়ানমারে অন্যান্য গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন রানার্স-আপদের হারিয়েই এখানে এসেছি আমরা। আমাদের খেলোয়াড়রা বড়োদের দলেও খেলেছে যেখানে মনিকার হ্যাটট্রিকও আছে! এই অভিজ্ঞতাটা কাজে লাগিয়ে ভিন্ন কিছু আশা করছি এবার। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফুটবল উপহার দিতে চাই।’

সেমিফাইনালের লক্ষ্য মনের ছোট্ট এক কোণে উঁকি দিচ্ছে কীনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে কৌশলী ছোটন জানালেন ধাপে ধাপেই এগোতে চান তিনি। কোচের ভাষায়, ‘থাইল্যান্ডের বিপক্ষে শুরুর ম্যাচ। সেই ম্যাচটা জেতাই আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য। ম্যাচ বাই ম্যাচ এগোতে চাই। মিয়ানমারে (দ্বিতীয় বাছাই পর্বে) যাবার আগে বলেছিলাম যে মিয়ানমার আর ফিলিপাইনের বিপক্ষে জিতলে চীন ম্যাচের পয়েন্ট লাগবে না। সেটাই করে দেখিয়েছিলাম। এবারও তেমন কিছুই করতে চাই।’

অধিনায়ক মারিয়ার কণ্ঠেও প্রতিধ্বনিত হলো কোচের কথা, ‘টুর্নামেন্টটাকে সামনে রেখে দারুণ পরিশ্রম করেছি আমরা। পাশাপাশি যোগ হয়েছে দুই বছর খেলার অভিজ্ঞতাও। ভালো কিছুরই প্রত্যাশা করছি।’

দলের উন্নতি আশা দেখাচ্ছে টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পল স্মলিকেও, ‘আমাদের দলটা বেশ প্রতিভাসম্পন্ন। শেষ দুই বছরে দারুণ উন্নতি করেছে মেয়েরা। টানা আন্তর্জাতিক ফুটবলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকায় অভিজ্ঞতার ঝুলিও ভারী হয়েছে দলের। যার ফলে এই টুর্নামেন্টটি নিয়ে বেশ আশাবাদী আমি।’