জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ নীতি, ২০১৯-এর চূড়ান্ত খসড়ায় নিচের দুটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি:
১. হলার মেশিনে ভাজা তামাকপাতা গুঁড়া করার ওপর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা। এতে ধোঁয়াবিহীন তামাকজাত দ্রব্য যথা গুল ও জর্দার উত্পাদন ও সরবরাহ ব্যাপকভাবে হ্রাস পাবে, এমনকি শূন্যের কোঠায়ও নেমে আসতে পারে। উল্লেখ্য, গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোবাকো সার্ভের (গ্যাটস) ২০১৭ সালের জরিপের তথ্য অনুয়াযী, বাংলাদেশের ২ কোটি ২০ লাখ মানুষ ধোঁয়াবিহীন তামাক ব্যবহার করেন। ধোঁয়াবিহীন তামাক ব্যবহারের প্রবণতা নারীদের মধ্যে বেশি।
২. সিগারেট কোম্পানির ওয়েস্টেজ তামাকের গুঁড়া নিলামে বা অন্য কোনো উপায়ে বিক্রি বা ব্যবহার কবার ওপর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করে তা চুল্লিতে পুড়িয়ে ফেলার বাধ্যতামূলক পরিপালনীয় বিধান ঘোষণা করা। এতে গ্রামাঞ্চলে সস্তা দামের নকল ও মানহীন সিগারেট ও বিড়ির উত্পাদন ও সরবরাহ ব্যাপকভাবে হ্রাস পাবে।
হাজী মো. আলী বশির
৮৮/৮৯ আগাসাদেক রোড,
মাহাবুব আলী
৪১ আবুল হাজী লেন, বংশাল, ঢাকা
