চাটমোহর (পাবনা) সংবাদদাতা
চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত সংসদীয় পাবনা-৩ আসনে প্রায় দেড় যুগ পর ২য় বার মুখোমুখি হচ্ছেন বর্তমান সাংসদ মোঃ মকবুল হোসেন ও সাবেক সাংসদ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম। একজন আওয়ামী লীগের আর একজন বিএনপির।
মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে সাংসদ মোঃ মকবুল হোসেন আগেই নিশ্চিত হয়েছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন সাবেক সাংসদ ও চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কে এম আনোয়ারুল ইসলাম। ইতোমধ্যেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোঃ আঃ মুতালিব মাস্টার ও গণতন্ত্রী পার্টির মোঃ খায়রুল আলম মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন এবং বাছাই প্রক্রিয়ায়ও তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে বিবেচিত হয়েছে।
পাবনা-৩ আসনে আওয়ামী লীগ তথা মহাজোট মনোনীত প্রার্থী মোঃ মকবুল হোসেন এমপি ইতোমধ্যেই নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। দলীয় নেতা-কর্মীরাও উজ্জীবিত হয়ে নৌকার পক্ষে মাঠে নেমেছেন। দলীয়ভাবে বর্ধিত সভা করে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে কৌশল প্রয়োগ করছেন।
এদিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ায় দলীয় নেতা-কর্মীরাও এখন উজ্জীবিত।
পাবনা-৩ আসনে এখন বিরাজ করছে নির্বাচনী উত্সবের আমেজ। উভয় নেতাই দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নামার ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। ইউনিয়ন ওয়ারী গণসংযোগ, মতবিনিময় ও পথসভা করে নৌকা ও ধানের শীষে ভোট প্রার্থনার জোর প্রস্তুতি চলছে।
২০০১ সালে মোঃ মকবুল হোসেন মনোনয়ন পেয়ে কে এম আনোয়ারুল ইসলামের কাছে পরাজিত হন। সেই নির্বাচনে কে এম আনোয়ারুল ইসলাম পেয়েছিলেন ১ লাখ ৩১ হাজার ২৯৪ ভোট। মোঃ মকবুল হোসেন পেয়েছিলেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৭৯৪ ভোট। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব.) সাইফুল আযম সুজাকে পরাজিত করে আওয়ামী লীগের মোঃ মকবুল হোসেন এমপি নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে অনেকটা বিনা ভোটে এমপি নির্বাচিত তিনি। এবার ২য় বার মুখোমুখি হচ্ছেন আনোয়ার-মকবুল। দুইজনেই আবার ওস্তাদ-সাগরেদ। আনোয়ারুল ইসলামকে ওস্তাদ বলে সম্বোধন করেন মকবুল হোসেন। দুইজনেই চাটমোহর ও ভাঙ্গুড়া উপজেলায় জাতীয় পার্টির উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন।
