বরগুনায় রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সঙ্গে জড়িত আরো ৬ কিশোর আসামিকে যশোর কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। কিশোর আসামিরা হচ্ছে রাশিদুল হাসান রিশান ওরফে রিশান ফরাজী (১৭), ওলিউল্লাহ ওরফে অলি (১৬), জয় চন্দ্র সরকার ওরফে চন্দন (১৭), তানভীর হোসেন (১৭), নাজমুল হাসান (১৪) ও আরিয়ান হোসেন শ্রাবণ (১৬)। রাতুল শিকদার জয় (১৬) নামে আরো একজনকে আগেই কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানো হয়। এনিয়ে ৭ কিশোরকে যশোর কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানো হলো।
রিফাত শরীফ হত্যা মামলার ১৪ জন আসামিকে মঙ্গলবার বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে হাজির করা হয়। তাদের মধ্যে ৮ জনকে বরগুনা জেলা কারাগার ও ৬ জনকে যশোর কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানো হয়। মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য করা হয়েছে ১৮ সেপ্টেম্বর।
এদিকে গতকাল সকালে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজিরা শেষে কারাগারের উদ্দেশ্যে প্রিজন ভ্যানে উঠানোর সময় মামলার তিন নম্বর আসামী রাশিদুল হাসান রিশান ফরাজী বলেন, মামলায় মিন্নি কেন ৭ নম্বর আসামী? সুনাম দেবনাথ (এমপি পুত্র) কেন মামলায় আসামী হয়নি, সে আমাদের নির্দেশদাতা। একাধিকবার বলেন বাদশা হত্যার বিচার কেন হয়নি (এ বছরের শরুর দিকে বরগুনা সদর উপজেলার কামরাবাদ এলাকায় যুবলীগ নেতা বাদশাকে কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা) ।
এ বিষয়ে এমপি পুত্র সুনাম দেবনাথ বলেন, এসব আসামিদের পুলিশ রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এবং তারা স্বেচ্ছায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। যদি রিফাত হত্যার সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা থাকতো, তাহলে তখন কেন আসামিরা আমার নাম বলে নাই। আমি এবং আমার বাবার সুনাম ক্ষুন্ন করতেই একটি মহল ওদের দিয়ে এসব ষড়যন্ত্র করাচ্ছে।
