ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার প্রজনন স্থল ধ্বংস করতে হবে

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:১৯

ডেঙ্গু প্রতিরোধে এ মুহূর্তে আমাদের প্রধান কাজ হচ্ছে ভাইরাসের সংক্রমণ কমিয়ে আনা। খেয়াল রাখতে হবে যেন নতুন কেউ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত না হয়। অর্থাত্ ইনফেকশন কমিয়ে আনতে হবে, সবাই মিলে মশা মারতে হবে। মশা যাতে জন্মাতে না পারে সে জন্য প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে। মশা যাতে কামড়াতে না পারে সে দিকে সর্বোচ্চ নজর দিতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) কেন্দ্রীয় কার্যালয় রাজধানীর কলাবাগানের সেমিনার কক্ষে ‘ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদ্ধতি নির্ধারণে গবেষণার গুরুত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। পবা এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

প্রধান অতিথি ঢাকা উত্তর সিটির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রি. জেনারেল মো. মোমিনুর রহমান মামুন বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বছরব্যাপী আমাদের গবেষণা ও কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে হবে। আমরা সিটি করপোরেশন নিজেদের দায় স্বীকার করছি। কিন্তু আমরা এখন বছরব্যাপী এক সমন্বিত মশক নিধন কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। ঘর থেকে বৃহত্ স্থাপনা সব মশামুক্ত করতে হলে সবাইকে একসঙ্গে একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে আগাতে হবে।

সভায় মূল প্রবন্ধে পবার সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আবদুস সোবহান বলেন, মশা তার জীবনচক্রে এক মাসের মধ্যে যাতে ভাইরাস বহন করতে না পারে সে লক্ষ্যে আমাদেরকে কাজ করতে হবে। পবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. লেলিন চৌধুরী, প্রতিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ক গবেষক পাভেল পার্থ, খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক রুনু আলী, বস্তিবাসী আন্দোলন সংগঠক হোসনে আরা বেগম প্রমুখ সভায় বক্তব্য রাখেন।