আজও স্বীকৃতি মেলেনি মুক্তিযুদ্ধে নাগেশ্বরীর প্রথম শহীদ মনমোহন কর্মকারের

আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ২১:৫২

নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা

আজও স্বীকৃতি মেলেনি মুক্তিযুদ্ধে নাগেশ্বরীর প্রথম শহীদ মনমোহন কর্মকারের। ‘৭১ এ পাকবাহিনী তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। তার এ আত্মত্যাগে শহীদ স্বীকৃতির আশায় ঘুরছেন সন্তানরা।

মুক্তিযুদ্ধের সময় উপজেলার ডায়নারপাড় গ্রামের মনমোহন কর্মকার স্ত্রী ও সন্তানদের ভারতের আশ্রয় শিবিরে পাঠিয়ে মাতৃভূমির মাটি আঁকড়ে পড়েছিলেন। ২৭ মে পাকসেনারা নাগেশ্বরীর দখল নেওয়ার পর ৩১ মে আচমকা তাকেসহ কালীগঞ্জ ইউনিয়নের রমনী কান্ত নন্দী ও ভিতরবন্দ ইউনিয়নের অজ্ঞাত একজনকে বাড়ি থেকে ধরে নাগেশ্বরী থানা ক্যাম্পে তাদের নিয়ে আসে। সেদিনই থানা চত্বরে ক্যাপ্টেন আতাউল্যা খানের নির্দেশে পাকসেনারা তাদের গুলি করে হত্যা করে। পরে সেখানেই গর্ত করে পুঁতে রাখা হয় লাশগুলো। ১৯৭১ সালে এটিই ছিল নাগেশ্বরীর প্রথম গণহত্যা।

মুক্তিযুদ্ধে শহীদ মনমোহন কর্মকারের ছোট ছেলে জীবন কর্মকার বলেন, নাগেশ্বরীর প্রথম শহীদ আমার বাবা। অথচ আজো শহীদের তালিকায় তার নাম নেই। মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল আজ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়। আমরা কিছুই চাই না। শুধু চাই বাবার আত্মত্যাগের স্বীকৃতি।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ উদ্যোগ শেকড় সভাপতি মনোয়ার হোসেন সিদ্দিকী বলেন, ‘৭১ এ নাগেশ্বরীতে পাক বাহিনীর প্রথম নৃশংস হত্যাকাণ্ডে নিহত তিনজনের একজন মনমোহন কর্মকার। স্বীকৃতি স্বরূপ তিনিসহ ওই তিনজনের নাম শহীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া প্রয়োজন।