লন্ডনে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৮:৫৪

এই সপ্তাহেই টরেন্টো চলচ্চিত্র উত্সবে ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ারের পর রুবাইয়াত হোসেনের ‘মেড ইন বাংলাদেশ’-এর ইউকে প্রিমিয়ার হতে যাচ্ছে ৬৩তম বিএফআই লন্ডন চলচ্চিত্র উত্সবে। গত ২ অক্টোবর শুরু হওয়া উত্সবটি চলবে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত।

বিএফআই উত্সবে ছবিটি প্রদর্শিত হবে ডিবেট বিভাগে; যেখানে ফ্রসোঁয়া ওযু, অ্যালেক্স গিবনি, টেরেন্স মালিক, আগনেস্কা হল্যান্ড, সিরো গুয়েরাসহ স্বনামধন্য চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সিনেমাও প্রদর্শিত হবে। ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের (বিএফআই) সহযোগিতায় ১৯৫৩ সাল থেকে অনুষ্ঠিত এই চলচ্চিত্র উত্সবে চলচ্চিত্র প্রদর্শনের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও সাংবাদিকদসহ গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব ও তারকাদের উপস্থিতি থাকে বেশ জাঁকজমকপূর্ণ। উত্সবের পরিচালক ট্রিসিয়া টাটল উত্সব-ক্যাটালগের ভূমিকায় বিশেষভাবে চলচ্চিত্রটির উল্লেখ করেছেন। বিএফআইয়ের জেম্মা দেশাই ছবিটিকে ‘কালেক্টিভ লিবারেশন’ ও নারী সংহতির সম্ভাবনা, সীমাবদ্ধতা ও ইচ্ছার সূক্ষ্ম ও প্রাঞ্জল প্রতিকৃতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। প্রথম ছবি ‘মেহেরজান’ এবং দ্বিতীয় ছবি ‘আন্ডার কনস্ট্রাকশন’-এর পর এটি রুবাইয়াত হোসেনের তৃতীয় ছবি। বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নে ও আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে পোশাকশিল্পের যে ভূমিকা আছে, তার আলোকে দৃঢ়চেতা নারী পোশাকশ্রমিকদের সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প বলা হয়েছে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’-এ।

সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন রিকিতা নন্দিনী, নভেরা হোসেন, দীপান্বিতা মার্টিন, পারভীন পারু, মায়াবি মায়া, মুস্তাফা মনোয়ার, শতাব্দী ওয়াদুদ, জয়রাজ, মোমেনা চৌধুরী, ওয়াহিদা মল্লিক জলি ও সামিনা লুত্ফা প্রমুখ। দুটি অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিতা চৌধুরী ও ভারতের শাহানা গোস্বামী। ছবিটি প্রযোজনা করেছে ফ্রান্স, ডেনমার্ক, পর্তুগাল ও বাংলাদেশের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। ২০১৬ থেকে ছবিটির কাজ শুরু করেন রুবাইয়াত হোসেন। লোকার্নো চলচ্চিত্র উত্সবের ‘ওপেন ডোরস’-এ অংশ নিয়ে চিত্রনাট্যের জন্য জিতে নেন আর্টে ইন্টারন্যাশনাল পুরস্কার। এছাড়া ছবিটি নির্মাণের জন্য পেয়েছেন ফ্রান্স সরকারের সিএনসি ফান্ড, নরওয়ে সরকারের সোরফন্ড প্লাস, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ইউরিমাজ ফান্ড, ডেনমার্কের ডেনিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট ফান্ড ও টোরিনো ফিল্ম ল্যাবের অডিয়েন্স ডিজাইন ফান্ড। ছবিটির প্রযোজক ফ্রঁসোয়া দ্য’ আক্তেমেয়ার (ফ্রান্স) ও আশিক মোস্তফা (বাংলাদেশ) এবং যৌথ প্রযোজক পিটার হিল্ডাল (ডেনমার্ক), পেদ্রো বোর্হেস (পর্তুগাল) ও আদনান ইমতিয়াজ আহমেদ (বাংলাদেশ)।