টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডেতে তারা এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের একটা ব্র্যান্ড তৈরি করতে পেরেছেন। বিশেষ করে বিভিন্ন ফ্রাঞ্চাইজি লিগে কয়েক জন আফগান ক্রিকেটার হয়ে উঠেছেন টি-টোয়েন্টির প্রতীক। কিন্তু টেস্টে সে তুলনায় একেবারেই নবীন তারা।
আজ নিজেদের ইতিহাসের তৃতীয় টেস্ট খেলতে নামছে আফগানিস্তান। তার আগে দলটির তরুণ অধিনায়ক রশিদ খান বলছেন, তারা ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে প্রস্তুত, ‘টেস্ট ক্রিকেটে মূল ব্যাপারটা হলো ধৈর্য। এখানে প্রত্যেক খেলোয়াড়ের সক্ষমতার পরীক্ষা নেওয়া হয়। এটা শুধু আমাদের ক্ষেত্রে নয়। যেসব খেলোয়াড় টেস্ট খেলে, সবার জন্য সত্যি। আপনি ২০০ বা ৩০০ ম্যাচ খেলেছেন, তাতে কিছু যায় আসে না। একবার আপনি যখন মাঠে নামবেন, সবকিছু আবার শূন্য থেকে শুরু হবে। আমাদের ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হবে।’
রশিদ খুব কম বয়সেই আফগান দলকে টেস্টে নেতৃত্ব দেবেন। সেই সম্পর্কে বলছিলেন, ‘এত কম বয়সে একটি টেস্ট দলকে নেতৃত্ব দেওয়া দারুণ একটা ব্যাপার। আমার জন্য অল্প বয়সে এটা ভালো শেখার একটা সুযোগ। অধিনায়কত্বের কথা বাদ দিন, আমার কাছে দলে থাকাটাই সবসময় সবচেয়ে বেশি আনন্দের। নিজের জাতীয় দলের হয়ে টেস্ট খেলতে পাররাটা বিরাট আনন্দ ও গর্বের ব্যাপার।’
অভিজ্ঞতার কারণেই আজ শুরু হতে যাওয়া টেস্টে বাংলাদেশকে এগিয়ে রাখছেন আফগান অধিনায়ক, ‘আমাদের মাত্র দুটি টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা আছে। অবশ্যই, এদিক থেকে বাংলাদেশ আমাদের চেয়ে অনেক ভালো অবস্থানে আছে। তারা ১৫০টার বেশি টেস্ট খেলেছে। আমরা প্রতি ম্যাচ খেলছি ও শিখছি। এই ফরম্যাট আমাদের জন্য নতুন। তবে আমাদের দলে প্রতিভা ও স্কিল আছে। ফলে আমরা ইতিবাচক ক্রিকেট খেলতে চাই।’
