বঙ্গবন্ধুর ছবি দিয়ে রাজনীতির দোকান খোলা যাবে না -------ওবায়দুল কাদের

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২২:০০

বঙ্গবন্ধুর ছবি দিয়ে রাজনীতির দোকান না খোলার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অনেকেই বঙ্গবন্ধুর ছবি টাঙিয়ে, তার নাম ভাঙিয়ে রাজনীতির দোকান খুলে বসেছে। এমনকি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবি দিয়ে দোকান খুলেছে। বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার নাম-ছবি ব্যবহার করে কোনো রাজনৈতিক দোকান খোলা যাবে না। রাজনীতি যেন কারো পেশা না হয়।

গতকাল বুধবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে তাঁতি লীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ভোটের রাজনীতিতে বিএনপি ক্রমেই আরো সংকুচিত হচ্ছে। দলটি এখন অস্তিত্বের সংকটে ভুগছে এবং ভবিষ্যেক বিপন্ন মনে করে দলের নেতারা আবোল তাবোল বলছেন।

ভোটের রাজনীতিতে বিএনপি সংকুচিত হওয়ার কারণ উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের এমপি বলেন, ‘এই দল জাতির পিতার খুনের সঙ্গে জড়িত। জাতির পিতার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেনেড হামলা করে হত্যার চক্রান্ত করেছিল। এই সত্য জনগণের বিবেকের আদালতে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে।’ তিনি বলেন, ‘খুন আর হত্যার রাজনীতিতে বিএনপির হাত রক্তে রঞ্জিত। তারা বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে জাতির পিতাকে মুছে দেওয়ার চেষ্টা কম করেনি। ইতিহাস থেকে বঙ্গন্ধুকে তারা যতই মুছে ফেলতে চেয়েছে ততই তারাই নিজেরা মুছে গেছে, সংকুচিত হয়েছে।’

বাংলাদেশের রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধু পরিবার সততার উত্কৃষ্ট উদাহরণ উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতির সবচেয়ে সত্ পরিবার হচ্ছে বঙ্গবন্ধু পরিবার। বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যার পরিবারের সদস্যরা নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। তারা কাজ করে জীবনধারণ করেন। রাজনীতিতে এসে টাকা-পয়সা অবৈধভাবে আয় করার কোনো ইচ্ছা তাদের নেই।

তারেক জিয়া লন্ডনে বসে মিথ্যাচার করছেন অভিযোগ করে মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান ১৫ আগস্টের মাস্টারমাইন্ড আর তারেক রহমান ২১ আগস্টের মাস্টারমাইন্ড। আগস্ট মাসে সত্যের মুখোমুখি হলে তাদের গাত্রদাহ শুরু হয়। এখন আবার কাকে নাকি জাতীয়তাবাদী জাতির পিতা বানাচ্ছে। টেমস নদীর পারে বসে বাংলাদেশে ষড়যন্ত্রের রাজনীতি করছে। ইতিহাসের মীমাংসিত বিষয় নিয়ে যারা মিথ্যাচার করে তারা ইতিহাসের আঁস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে।

তাঁতি লীগের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ শওকত আলীর সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, তাঁতি লীগের সাধারণ সম্পাদক খগেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।