ইত্তেফাক রিপোর্ট
মুক্তিযুদ্ধ করে স্বাধীন বাংলাদেশকে পশ্চিমা বিশ্ব যখন ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ বলে ঠাট্টা করেছিল সেই বাংলাদেশ ৪৭ বছরে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সারাদেশ থেকে বাংলাদেশের তরুণরা সেই বদলে যাওয়া বাংলাদেশের কথা বলেছেন। বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের কথা, উন্নয়নের কথা, তরুণদের নানা আবিষ্কারের কথা। আর উঠে এসেছে সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশের কথা। ‘ভালোবাসার বাংলাদেশ’ শিরোনামে দেশজুড়ে চলা প্রচারণায় দেশের তরুণরা পাঠায় প্রায় সাড়ে নয় হাজার ভিডিও।
স্কয়ার টয়লেট্রিজ ও মিডিয়াকম লিমিটেডের সহায়তায় আয়োজিত এই ‘ভালোবাসার বাংলাদেশ’ প্রচারণার গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হয় হোটেল লা মেরিডিয়ানের রুফটপে। সাড়ে নয় হাজার ভিডিও থেকে বাছাই করে ১৩টি ভিডিওকে পুরস্কৃত করা হলো গতকাল শনিবার। এর মধ্যে সেরা তিনটি ভিডিওকে দশ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়। আর অন্য দশ জনকে ল্যাপটপ ও সনদ প্রদান করা হয়। এসব ভিডিও থেকে বাছাই করা সেরা তিনটি ভিডিও থেকে ছবিয়াল-এর তত্ত্বাবধানে তিনটি ফিল্ম বানানোর ঘোষণা দেওয়া হয় অনুষ্ঠানে। আগামী ১৪, ১৫ ও ১৬ ডিসেম্বর রাত আটটায় সেই তিনটি ফিল্ম প্রচার করা হবে মাছরাঙা টেলিভিশন, এস এ টিভি, নাগরিক টিভি ও একুশে টেলিভিশনে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থপতি ইকবাল হাবিব, নিউমোনিয়ার সহজলভ্য চিকিত্সা পদ্ধতির আবিষ্কারক জুবায়ের চিস্তি, গুগল বাংলাদেশের প্রতিনিধি মোদাসেসর আহমেদ, এক টাকার আহার প্রজেক্টের উদ্যোক্তা শিপ্রা দাস, বাংলাদেশ মহিলা ক্রিকেট দলের সাবেক ক্যাপ্টেন জাহানারা আলম, স্কয়ার টয়লেট্রিজের হেড অফ মার্কেটিং জেসমিন জামান, মিডিয়াকমের এক্সিকিউটিভ ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর তৌফিক মাহবুব, স্কয়ার টয়লেট্রিজের ডিরেক্টর অপারেশন মালিক মোহাম্মদ সাইদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে দেশাত্মবোধক গান গেয়ে শোনান জনপ্রিয় শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন।
সেরা তিন পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন- বগুড়ার আব্দুল মোমিনের বানানো ‘বাংলাদেশ : এন আনটোল্ড স্টোরি’, আব্দুল্লাহ মাহফুজ অভির ‘রোড টু কুমদিনী হাজং’ এবং ফাহিম আহমেদের ‘থ্যাংক ইউ বাংলাদেশ ফ্রম টার্কিশ গাই’। বাকি দশ পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন- মো: আব্দুল আজিমের ‘ছবির মধ্যে গৌরব’, মোঃ দস্তগীরের ‘পথের পলিথিন, আব্দুল মল্লিকের ‘লালন মাজার’, জুনায়েদ আমিন শুভর ‘স্টপ মোশন বাই লেগো’, ফিরোজ আলী গাজীর ‘গাছদরদি ওয়াহিদ সরদার’, সেলিম হোসেনের ‘মা ও মেয়ের সফলতার গল্প’, তানজীব আহমেদের ‘সাপুড়ে থেকে গার্মেন্টস কর্মী’, জারিফ আহমেদের ‘বয়াতিনামা’, আর কে সরকারের ‘শুভ্র বাংলাদেশ’ এবং রাহিদ রনির ‘অদম্য বাংলাদেশ’।
