প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২৩:৪৪

গত ২ সেপ্টেম্বর দৈনিক ইত্তেফাকে ‘ইলেকট্রিশিয়ান সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি গ্রাহকরা’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ করেছেন পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ইলেকট্রিশিয়ান মো. জাহিদুল ইসলাম ও মো. শাহ আলম। প্রতিবাদপত্রে তারা বলেছেন, তারা দুই জনেই সরকারি পারমিটধারী ইলেকট্রিশিয়ান এবং উভয়েই দীর্ঘদিন যাবত্ সরকারি নিয়ম-নীতি মেনে ঢাক-পবিস ৪ এ হাউজ ওয়্যারিং এর কাজ করছেন। ইত্তেফাকে তাদেরকে জড়িয়ে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা মিথ্যা ও উদ্দেশপ্রণোদিত। সংবাদে তাদের আরেক সহকর্মী বিমল চন্দ্র দাস ও কদমতলী এলাকার এনসিসি ব্যাংকের ম্যানেজারের বরাত দিয়ে দুই জনের সম্পর্কে যে কথা বলা হয়েছে তাও সঠিক নয়। ঐ দুই জনই বলেছেন তাদের সঙ্গে ইত্তেফাকের প্রতিবেদকের কোনো কথাবার্তাই হয়নি। উক্ত সংবাদ প্রকাশের কারণে জাহিদুল ইসলাম ও শাহ আলম কর্মস্থলে ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

প্রতিবেদকের বক্তব্য:

কেরানীগঞ্জে বিদ্যুত্ অফিসে ইলেকট্রিশিয়ান সিন্ডিকেট কর্তৃক গ্রাহকদের জিম্মি করে ৬০০ টাকার স্থলে ৩০০০ হাজার টাকা নেওয়ার শতাধিক অভিযোগ আছে। এরকম একশোর বেশি ভুক্তভোগীর নাম-ঠিকানা এই প্রতিবেদকের কাছে আছে।

প্রয়োজনে তাদের বক্তব্য লিখিত আকারেও নেওয়া যাবে। উক্ত সংবাদে বিদ্যুত্ অফিসের জিএম, এজিএমসহ এলাকার ভুক্তভোগীদের কাছে গিয়ে ইলেকট্রিশিয়ান জাহিদুল ইসলাম ও শাহ আলমের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করেই এ প্রতিবেদনটি করা হয়েছে। এছাড়া জাহিদুল ও শাহ আলমের বিরুদ্ধে খোদ বিদ্যুত্ অফিসের ১০ জন্য ওয়্যারিংম্যানের স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ জিএম বরাবর দেওয়া হয়েছে যার কপি আমি নিয়েছি। এছাড়া ইলেকট্রিশিয়ান বিমল ও এনসিসি ব্যাংক ম্যানেজারের বক্তব্যের রেকর্ড আমার কাছে আছে।