এক্সরে মেশিনটি ১২ বছর ধরে বিকল

আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২০:৫১

নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

নিকলী (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা

নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র এক্সরে মেশিনটি ১২ বছর ধরে বিকল। এক্সরে বিভাগের রেডিওগ্রাফারের পদটিও ১১ বছর ধরে শূন্য। এ অবস্থায় উপজেলার দেড় লক্ষাধিক লোকজন এখানে চিকিত্সা নিতে এসে বিড়ম্বনায় পড়ে। তারা চিকিত্সকের পরামর্শে কিশোরগঞ্জ জেলা শহরে গিয়ে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ক্লিনিক কিংবা ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে এক্সরে করান।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালের ৮ আগস্ট কাজ করার সময় হঠাত্ এক্সরে মেশিনটিতে সমস্যা দেখা দেয়। এর পর থেকে এক্সরে মেশিনটি বন্ধ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এটি মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বহুবার লিখিতভাবে জানিয়েছেন। কিন্তু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ১২ বছরেও এক্সরে মেশিনটি মেরামতের কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। কারপাশা গ্রামের জলিল মিয়া বলেন, বুকের বাম পাশে ব্যথা করছে। তাই হাসপাতালে আসছি। ডাক্তার বলেছে বুকের এক্সরে লাগবে। হাসপাতালের এই মেশিন নাকি নষ্ট। তাই শহরে গিয়ে এক্সরে করতে হবে।

নিকলী উপজেলা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কারার শাহরিয়া আহমেদ তুলিপ বলেন, দেড় লক্ষাধিক লোকের জন্য এক্সরে মেশিনটি দীর্ঘ একযুগ ধরে নষ্ট। এলাকার জনগণ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এখানে একটি নতুন এক্সরে মেশিন বরাদ্দ ও একজন রেডিওগ্রাফার নিয়োগ দেওয়ার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আস আদ দীন মাহমুদ বলেন, এক্সরে মেশিনটি বিকল থাকায় এ উপজেলার দরিদ্র জনগণকে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানের জন্য আমি একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছি।

কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন মো. হাবিবুর রহমান বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে ।