গ্যাঁড়াকল

আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৯:৩৪

সন্ধ্যার পর পর। চাঁদনী রাত। তবুও অন্ধকার চেপে বসেছে বেশ। এই অন্ধকার ভেদ করেই যেন চোরের মতো কেউ একজন এসে হিরুর সঙ্গ নিল।

একটানা অনেকদূর অবধি হিরুর সাথে তাল মিলিয়ে হাঁটছে সে। হিরু ডানে যায়, সেও ডানে যায়। হিরু বামে যায়, সেও। হিরু হাঁটার গতি বাড়িয়ে দেয় তো সেও জোরে হাঁটে। হিরু গতি মন্থর করে ফেললে তারও হাঁটার গতি হয়ে যায় শম্বুক!

‘গ্যাঁড়াকলে পড়লাম তো!’ শেষমেশ হিরু স্বগতোক্তি করল। ‘লোকটাকে কী করে যে ছুটাই!’

বুদ্ধি করে হিরু থেমে গিয়ে তোতা চাকলাদারের চায়ের দোকানে গিয়ে বসল। বিরক্তিকর লোকটাকে গিলতে পারছে না, এখন গ্যাঁড়াকলে পড়ে বাসা থেকে সদ্য চা খেয়ে বেরোনো সত্ত্বেও আবারও চা গিলবে সে। সাথের অচেনা লোকটা একটু দ্বিধা নিয়েও শেষমেশ অপর পাশের একটা বেঞ্চিতে বসে চায়ের অর্ডার দিল।

ইচ্ছে করেই হিরু চাকলাদারের দোকানে অনেকক্ষণ বসে রইল। লোকটাও নড়ল না। কেবল কাপড় দিয়ে মুখটা অন্যদের থেকে আড়াল করার চেষ্টা ছিল তার মাঝে। কয়েকবার হাতঘড়িতে সময়ও দেখেছে। বোধহয় হিরু উঠছে না দেখে বিরক্ত হচ্ছে।

‘আচ্ছা গ্যাঁড়াকলে পড়লাম তো!’ এবার উল্টো সেই হিরুর ওপরে বিরক্ত হয়ে বিড়বিড় করে কথাটা বলল।

নাটকের সমাপ্তিটা হিরুকেই টানতে হলো। বসা অবস্থাতেই ও লোকটাকে ‘আপনি আসুন আমার সাথে’ বলে উঠে অদূরের অন্ধকার মতো একটা জায়গায় গিয়ে দাঁড়াল।

লোকটা অবাক বিস্ময়ে হিরুর আদেশ মানল।

‘বলুন, মিস্টার চোর মহোদয়।’

‘কী... কী বললেন আপনি?’

‘আপনার নামটা জানি না। পরিচয় যতটুকু জানি, সেটাই সম্বোধনের জন্য কাজে লাগালাম।’

‘আমি একজন চোর, এটা আপনি জানলেন কী করে?’

হিরু স্মিত হেসে রহস্যের ঢঙে বলল, ‘জানি জানি।’ তারপর মাছি খেদানোর ভান করে বলল, ‘ওসব ফাউ প্যাঁচাল বাদ দিন। কী বলতে এসেছেন, তাই বলুন।’

‘কঠিন বিপদে পড়ে আপনার দ্বারস্থ হয়েছি। আশা করি, উপযুক্ত সমাধান বাতলে দিয়ে বাধিত করবেন।’

‘কী বিপদ?’

‘গ্যাঁড়াকল।’

হিরু চমকে উঠল। ‘কেমনতর গ্যাঁড়াকল?’

‘একটা ঘটনা বলি, তাহলেই বুঝতে পারবেন।’

‘বলুন তাহলে।’

‘সেদিন এক বাড়িতে চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে যাচ্ছিলাম প্রায়। কিভাবে যেন ওরা টের পেয়ে যায়। তারপর, দল বেঁধে আমার পেছনে ছুটে আসে। আমিও দিলাম দৌড়। স্কুল জীবনে একবার দৌড় প্রতিযোগিতায় নাম লিখিয়েছিলাম, বুঝলেন। তখন ফার্স্ট হয়েছিলাম। এদ্দিনে সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগল। সে যাক, সেদিন এমন দৌড় দিলাম, সবাই পেছনে পড়ে গেল। তারপর সহজে কেটে পড়তে দুটো বাড়ির মাঝখানের সরু জায়গা বেছে নিলাম। কিছু দূরে এগোনোর পরে আর সামনে এগোতে পারলাম না। অনেক মোচড়ামুচড়ি করলাম বটে। কাজ হলো না। ওদিকে গেরস্তঘরের লোকজন আশপাশেই হইচই করছে। ‘কই গেল, কই গেল’। আমি চুপ মেরে রইলাম। মনে কুডাক দিচ্ছে, এই না ধরা পড়ে যাই। অনেকক্ষণ বাদে তারা আমাকে না পেয়ে চলে গেল। এবার আমি পেছন দিক থেকে বেরুতে চাইলাম। ওমা, একটুও নড়ল না। বডিখানা না যায় সামনে, না পেছনে। একেবারে গ্যাঁড়াকলে আটকা পড়লাম।’

‘তারপর?’

‘পুরো একটা দিন ওভাবেই আটকে রইলাম। ছেলে-বুড়ো কারোর নজরেই পড়লাম না। ভাবলাম, এখানে এই অবস্থাতেই ইহলীলা সাঙ্গ হয় কি না! তারপর যখন একটু আড়মোড়া ভাব এল, তখন দেখি সেই সরু গলিই অনেক চওড়া হয়ে গেছে। আমি অবলীলায় সামনে পা বাড়িয়ে বেরিয়ে এলাম।’

এই বলে লোকটা একটু থামল। হিরু চুপ করে আছে দেখে নিজেই বলা শুরু করল, ‘এমনিতেই তো শুকনো বডি। একদিন না খেয়ে শরীর হয়ে গেল পাটকাঠি। এবার সমস্যার ব্যাপারে আসি, আমি আসলে ইদানীং চুরি করে যুত পাচ্ছি না। প্রায়ই ধরা পড়ার উপক্রম হয়। কী করি বলুন তো?’

হিরু সরাসরি তার কথার সূত্র না ধরে অন্য প্রসঙ্গে গেল, ‘চুরি কেন করেন?’

‘শখে। বলতে পারেন, আমার অ্যাইম ইন লাইফ ছিল, চুরি করব।’

‘কোন সময়ের অ্যাইম ইন লাইফ?’

‘এই ধরুন, তখন আমি ক্লাস সিক্স কি সেভেনে পড়ি। একদিন টিচার ক্লাসে অ্যাইম ইন লাইফ লিখতে বলেছিলেন। পোলাপান একেকজন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, কিংবা শিক্ষক হবে—এমন কথাই লিখল। তা দেখে স্যার বললেন, ‘গতানুগতিক চিন্তা বাদ দিয়ে একটু ব্যতিক্রমধর্মী কিচ্ছু ভাবো। এটাই তোমাদের হোমওয়ার্ক। আগামীকালকে দেখব আমি।’ আমিও মনে মনে বললাম, ‘তাই সহি।’ বাসায় এসে ভাবলাম, কী নিয়ে লিখব? রাজনীতিবিদ হতে চাই? কিন্তু সে তো ক্লাসের সবচেয়ে ধাপ্পাবাজ প্রিন্স হতে চাইবে। তাহলে কি হিরো হবো? কিন্তু সেজন্য তো হাফ-লেডিস লিমন রয়েছে। সরকারি অফিসের কেরানি হবো? কিন্তু সেটা তো ফারুকের হওয়ার কথা। সেদিন ওকে মাছি মারতে দেখলাম। শেষমেশ ভেবে ভেবে কঠিন ও সৃজনশীল একখান রচনা লিখলাম। বড় হয়ে আমি চোর হতে চাই! পরদিন খাতা দেখার সময় স্যার আমার অনেক প্রশংসা করলেন। বললেন, ‘এমন করেই তোমাদের চিন্তার পরিসর বাড়াও। তারপর যখন বড়ো হবে, তখন বুঝতে পারবে কোনটা ভালো আর কোনটা মন্দ। কিন্তু এখন থেকেই ভাবতে শেখো।’ স্যার আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বললেন, ‘চোর হওয়া সহজ কম্ম নয়, বুঝলে।’ সেদিন আমি স্যারের কথাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিলাম। আজ আমি একজন সফল চোর!’

‘সফল!’ হিরু ব্যঙ্গ করল।

লোকটা একটু থতমত খেয়ে বলল, ‘সেটাই তো! আর এজন্যই তো আপনার কাছে আসা। ইদানীংকার ব্যর্থতা খোদ আমার ক্যারিয়ারকেই হুমকিতে ফেলে দিয়েছে। এই বিপদ থেকে আমারে উদ্ধার করেন, প্লিজ।’

হিরু একমুহূর্ত ভেবে বলল, ‘আপনি কখনো আপনার বডিখানা দেখেছেন?’

লোকটা শ্লেষমাখা কণ্ঠে বলল, ‘এই বডি আবার দেখার কী আছে!’

‘আপনার বডির প্রতি এবার নজর দিন।’

‘কেন?’

‘আপনি সবসময় ভাবেন, পালানো তো খুব ইজি। কিন্তু আপনার এই পাটকাঠির মতো বডিখানাই আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনছে।’

‘কিভাবে?’

‘ধরুন, সেদিনকার কথাই বলি। সেদিন আপনি উসাইন বোল্ট গতিতে দৌড়াচ্ছিলেন, তাই না?’

লোকটা ইতস্তত বলল, ‘আজ্ঞে, উনার মতো না হলেও কমসে কম জাস্টিন গ্যাটলিনের মতো গতি ছিল।’

‘লোকজনের আপনাকে ধরার কোনো সম্ভাবনাই ছিল না। অথচ আপনি কিনা চিকনা বডির কারণে চিপায় ঢুকে গেলেন।’

‘আসলেই তো।’

‘তাহলে কী করতে হবে?’ হিরু সমাধান টানার চেষ্টা করল।

‘আমাকে মোটা হতে হবে!’ লোকটা নিজ থেকেই বলল। ভীষণ উচ্ছ্বসিত সে।

হিরু একটু টাসকি খেল।

‘আচ্ছা, আমি তাহলে এখন আসি, ভাইজান। থ্যাঙ্কু।’ বলেই লোকটা চোরের মতো অন্ধকারে মিশে গেল। কোথাও চুরি করার শিডিউল ছিল কি না কে জানে! হিরুর সাথে কথা বলার ফাঁকেও সে বেশ ক’বার হাতঘড়িতে সময় দেখেছে!’

 

দুই.

হিরু আনমনে আবারও চাকলাদারের দোকানে এসে বসল।

‘চা খাবে হিরু ভাই?’

হিরু টেনে টেনে বলল, ‘আর চা খেয়ে কী হবে! কাল থেকে তোমরা জনে জনে বলতে শুরু করবে, কারোর বাড়িতে চুরি হয়, আর হিরু চা পিয়ায়! এক বাড়িতে চুরি হচ্ছে এখন।’

চাকলাদার কিছু বলতে যাবে, তখনই অদূর থেকে তার কানে ‘চোর, ধর ধর’ আওয়াজ ভেসে এল। চাকলাদার হিরুর দিকে একটিবার তাকিয়ে, দুধ বাড়িয়ে ঘন করে এককাপ চা বানাতে শুরু করে দিল।

 

‘চুরিটা ইদানীং বেশ বেড়ে গেছে এই এলাকায়।’ হিরু চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে তৃপ্তির হাসি হাসলে তোতা চাকলাদার কথাটা বলল ওকে।

‘তা বেড়েছে বটে, তবে আগামী কয়েক মাসে আর কোনো চুরি হবে না।’

তোতা চাকলাদার অবাক হয়ে হিরুর মুখের পানে তাকিয়ে রইল। একটু আগের উদাহরণই কাফি। সে আর কোনো প্রশ্ন করল না।

 

তিন.

দু মাস পরের ঘটনা। সেদিন তোতা চাকলাদারের দোকানে চা পর্ব শেষ করে হিরু উঠে দাঁড়াল।

ওপাশের বেঞ্চিতে এতক্ষণ একটা লোক বসা ছিল। হিরু খেয়াল করেনি। লোকটা হিরুকে বলল, ‘হিরু ভাই, একটু এদিকে আসবেন, প্লিজ।’

হিরু তাকে অনুসরণ করে অদূরের এক নির্জন জায়গায় গিয়ে দাঁড়াল।

‘আপনি?’ লোকটাকে চিনতে পারছে না ও।

‘আজ্ঞে!’ লোকটা কনফিউজড। শেষমেশ বলল, ‘আমি সেই সাবেক চোর!’

‘সাবেক?’

‘পেশা থেকে রিটায়ার্ড করেছি।’

‘কেন?’

‘বহু কারণ। কয়টা শুনবেন?’

‘সবগুলো।’

‘বেশ। তাহলে শুনুন...’, লোকটা তার কথা বলতে লাগল, ‘গত দুই মাসে আমি কোনো চুরি করিনি। কেবল খেয়েছি আর ঘুমিয়েছি। প্রত্যাশামতো ওজন কয়েক কেজি বাড়ল। তারপর নামলাম মিশনে। সুড়ঙ্গ খুঁড়ে বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়লাম। মোটা হওয়ার কারণে আগের মতো সরু সুড়ঙ্গ খুঁড়ে কাজ হয়নি। কিন্তু বেরোতে গিয়ে বেশ সময় নষ্ট করে ফেললাম। ওদিকে বাড়ির চিকনা চিকনা পোলাপান অপেক্ষাকৃত প্রশস্ত সুড়ঙ্গ দিয়ে অনায়াসেই বেরিয়ে এসে আমাকে ধরে ফেলছিল প্রায়। দৌড়াচ্ছি। কিন্তু গতিতে যেন আমাকে কচ্ছপও হার মানাতে পারবে। সেদিনই বুঝলাম, চুরির কাজটা চালিয়ে যাওয়া আর ঠিক হবে না। আমি ভুল পথে পা বাড়িয়েছি। আপনি বোধহয় সেদিন আমাকে মোটা হওয়ার পরামর্শ দিতে চাননি। বোধহয় আপনার পরামর্শ ছিল, আমি যেন আমার দৌড়ের প্রতি মনোযোগ দিই। চিকনা বলে চিপায়-চাপায় না ঢুকে পড়ি। সেদিনের সেই অতিরিক্ত বোঝাটাই আমাকে আজ অবসরে পাঠিয়ে দিল।’

হিরু স্মিত হসে বলল, ‘আসলে সেদিন আমি আপনাকে মোটা হওয়ার পরামর্শই দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমি বলার আগেই আপনি নিজে থেকেই আইডিয়াটা পেয়ে গেলেন।’

‘বলেন কী!’

‘হ্যাঁ। আমি চেয়েছিলাম, আপনি মোটা হয়ে গ্যাঁড়াকলে পড়ে চুরি করা ছেড়ে দিন।’

‘ছেড়ে দিব? কিন্তু কেন?’

‘ওটা আপনার জন্য নয়।’

‘এবার কিন্তু আপনি আমার সেই স্যারের মতোই আমার মধ্যে জেদ জাগিয়ে তুলছেন। যান, আমি অবসর ভেঙে আবারও চুরি করতে নেমে পড়ব। তবে এবার নতুন কোনো ভূমিকায় অবতীর্ণ হবো। হিরু  ভাই, একটা পরামর্শ দিন না।’

‘আবারও গ্যাঁড়াকলে পড়লাম তো।’ হিরু মনে মনে বলল। ‘ভেবেছিলাম, লোকটাকে চুরির জগত থেকে বের করে আনব, কিন্তু এ তো চুরি ছাড়বে না। কী করা যায়, কী করা যায়...’ ভাবতে ভাবতেই আইডিয়া চলে এল। ‘শুনুন, আপনি এক কাজ করুন। কবি হয়ে যান।’

‘ওসব কবিতা-ফবিতা আমার দ্বারা লেখা সম্ভব না।’

‘আপনাকে কবিতা লিখতে বলছে কে? কবি হতে বলেছি। সেজন্য আপনাকে কবিতা লিখতে হবে, এমন তো কোনো কথা নেই।’

‘কবিতা ছাড়া কবি!’

‘হুমম। আপনি আপনার চুরি বিদ্যা কাজে লাগাবেন।’

‘দারুণ আইডিয়া।’ লোকটা আনন্দে গদগদ। ‘কবি হিসেবে বেশ নামডাক হবে আমার। মঞ্চে কবিতা পাঠ করব। নোবেল-টোবেলও...’ লোকটা আকাশ-কুসুম চিন্তা করা শুরু করল।

 

চার.

আরও দু মাস পরের ঘটনা। হিরু কাজ শেষে বাসায় ফিরছিল। পাঞ্জাবি পরা আর কাঁধে ঝোলানো ব্যাগ নিয়ে বাবরি চুলওয়ালা এক ব্যক্তি এসে হিরুর পথ আগলে দাঁড়াল।

‘কে আপনি? কী চাই?’

‘আজ্ঞে আমি মহাকবি মকবুল।’

‘ওহ। তা কী মহাকাব্য লিখলেন?’ হিরু টিপ্পনি কাটল।

‘লিখিনি। তবে লিখব। আপনি বোধহয় আমাকে চিনতে পারেননি?’

‘জি, ঠিক ধরেছেন।’

‘আমি সাবেক চোর।’

‘সাবেক, নাকি অবসরপ্রাপ্ত?’

‘আজ্ঞে, সাবেক। আমি প্রফেশন চেঞ্জ করেছি। এখন আর আমি চোর নই। আপনাদের আশীর্বাদে আমি এখন মহাকবি। মহাকবি মকবুল।’

‘তার মানে আপনি বলতে চাইছেন, আপনি এখন আর কবিতা টুকলি (চুরি) করেন না?’

‘আজ্ঞে না। প্রথম প্রথম কয়েকটা দিন করেছি বটে। কিন্তু এখন নিজেই লিখতে শুরু করেছি। আপনাকে শোনাব বলে কয়েকটা নিয়ে এসেছি!’ এই বলে সে তার কাঁধে ঝোলানো ব্যাগ থেকে কয়েকটা খাতা বের করল।

‘আপনি আমার গুরু। আপনি পরে বলবেন, এগুলো কেমন হয়েছে।’

হিরুর মনে হলো, সে বুঝি এখুনি ভিড়মি খেয়ে পড়বে। অস্ফূটে তার কণ্ঠে একটা শব্দ শোনা গেল, ‘গ্যাঁড়াকল!’