কোনো ধরনের চাপের মুখে নতি স্বীকার না করতে নির্বাচন কমিশনকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলটি বলেছে, সংবিধানের বাইরে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের কিছু করার নেই। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত-জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নন ইস্যুকে ইস্যু করে নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করছে। দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ উদ্বিগ্ন।
গতকাল শনিবার ইসি সচিবের সঙ্গে সাক্ষাত্ শেষে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, কোনো চাপের কাছে যেন নির্বাচন কমিশন নতি স্বীকার না করে, সেজন্য সতর্ক করে দিয়েছি আমরা।
জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা মানে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা, নির্বাচন ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা। সেই বিষয়ে আমরা বলেছি, মানুষ আজকে নির্বাচনমুখী হয়ে গেছে। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে মনোনয়নপত্রের জন্য যে বিক্ষোভ চলছে, সে বিক্ষোভ হলো মনোনয়ন বাণিজ্যের বিক্ষোভ। কাজেই এই মনোনয়ন বাণিজ্য করতে গিয়ে যারা ব্যর্থ হয়েছে, তারা শাক দিয়ে মাছ ঢাকার জন্য নন-ইস্যুকে ইস্যু বানানোর চেষ্টা করছে। এ ব্যাপারে আমরা নির্বাচন কমিশনকে সতর্ক হওয়ার জন্য বলেছি। দেশে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ হবে। সেই প্রত্যাশা আমরা ব্যক্ত করেছি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকারের চাপ দেওয়ার কোনও সুযোগ নেই। শেখ হাসিনার সরকার নির্বাচনকালীন সরকার। নির্বাচন কমিশনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ কাজ করার জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে।
গতকালই মহাজোটের দলীয় বা জোটের মনোনয়নের চূড়ান্ত তালিকা ইসিতে দেওয়া কথা ছিল। সেই তালিকা আজকে দিয়ে গেলেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা তালিকা দেইনি। আমরা রবিবার নাগাদ তালিকা দেবো। কোন দলের কতজনকে মনোনয়ন দেওয়া হলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা যথাসময়ে নির্বাচন কমিশনে দেওয়া হবে। তখনই আমরা জানাবো। একটু অপেক্ষা করেন।
প্রতিনিধি দলে আরো ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, বি এম মোজাম্মেল হক, ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, অ্যাডভোকেট রিয়াজুল কবির কাওসার প্রমুখ।
