আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুেকন্দ্রে বালিশ কাণ্ডের পর এবার আলোচিত ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজে পর্দা ক্রয়ে দুর্নীতির বিষয়কে ‘ছিঁচকে’ আখ্যায়িত করে বলেছেন, এ ধরনের ছিঁচকে কাজ যারা করেন তারা নিশ্চয়ই কোনো এমপি বা মন্ত্রী নন। এটা হাওয়া ভবনের মতো লুটপাটের বিষয় নয়। দেশটাকে লুটপাট করে খেয়েছে হাওয়া ভবন।
গতকাল শনিবার ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, হাওয়া ভবন ছিল তখন খাওয়া ভবন। আমাদের সময়ে লুটপাটের জন্য কোনো ক্ষমতার বিকল্প কেন্দ্র তৈরি হয়নি। বালিশ আর পর্দাকে হাওয়া ভবনের সঙ্গে মেলানো যাবে না। এ সময় জাতীয় পার্টিতে (জাপা) চলমান সংকট নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা ঐকমত্যের সরকার নয়। জাতীয় পার্টি (জাপা) বিরোধী দলে আছে এবং বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করছে। তাদের ওখানে কী হলো সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। প্রধানমন্ত্রী কেন এ বিষয়টি দেখবেন? আমরা চাই, বিরোধী দল ঐক্যবদ্ধ থাকুক, শক্তিশালী থাকুক। তাহলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে। ঐক্যবদ্ধ থাকতে তাদের নিজেদেরই কাজ করতে হবে, এখানে আমাদের কিছু করার নেই। রাজধানীর সায়েন্সল্যাবে পুলিশের ওপর বোমা হামলার বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, জঙ্গি তত্পরতা একেবারেই থেমে গেছে এমন দাবি কখনোই আমরা করিনি। সভায় অন্যান্যের মধ্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, বি এম মোজাম্মেল হক, এনামুল হক শামীম, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
