আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত

এরশাদের আসনে নৌকার প্রার্থী রেজাউল করিম

আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:২১

আগামী ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় রংপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী মো. রেজাউল করিম রাজু। তিনি রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। গতকাল শনিবার রাতে গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় তাকে সর্বসম্মতিক্রমে মনোনয়ন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া আসন্ন উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনোনীত প্রার্থীদের মনোনয়নও চূড়ান্ত করেছে দলটি।

জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের মৃত্যুতে জাতীয় সংসদের রংপুর-৩ আসনটি শূন্য হয়। রংপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন ১৬ জন। দলীয় মনোনয়নের জন্য আবেদনপত্র সংগ্রহকারীরা হলেন, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য চৌধুরী খালেকুজ্জামান, রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রাজু, রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মণ্ডল, রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম, রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রোজী রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মিলন, মহানগরের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মজিদ প্রমুখ।

এদিকে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের অংশ হিসেবে আগামী ১৪ অক্টোবর দেশের আটটি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল যৌথসভায় এসব উপজেলায় দলীয় একক প্রার্থীও চূড়ান্ত করা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের একক চেয়ারম্যান প্রার্থী হলেন মো. নজরুল ইসলাম। ঝিনাইদহর কোটচাঁদপুর উপজেলায় মোছা. শরিফুন্নেছা (মিকি), মহেশপুরে ময়জদ্দীন হামীদ, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে মো. মুনসুর আহমেদ, শেরপুর সদরে মো. রফিকুল ইসলাম, নেত্রকোনার আটপাড়ায় মো. খায়রুল ইসলাম, চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় আবদুল মোতালেব আওয়ামী লীগের একক চেয়ারম্যান প্রার্থী। ভোলার লালমোহন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে এমদাদুল ইসলাম (তুহিন), ঢাকার দোহারে নজরুল ইসলাম বাবুল, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে শিব শংকর দাস আওয়ামী লীগের প্রার্থী।

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের একক চেয়ারম্যান প্রার্থী হলেন—রাজশাহীর বাঘা উপজেলার গড়গড়ি ইউপিতে মো. রজিউল ইসলাম,  বাজুবাঘায় মো. ফজলুর রহমান, পাকুড়িয়ায় মো. মেরাজুল ইসলাম, মনিগ্রামে মো. সাইফুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পোরজানায় মো. জাহিদুল ইসলাম (মুকুল), হাবিবুল্লাহনগরে মো. মিজানুর রহমান (বাচ্চু), নাটোর সদরের লক্ষ্মীপুর খালাবাড়িয়ায় মো. আলতাব হোসেন, নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার ইসবপুরে মো. ইমরুল কায়েশ, পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলার চালিতাবুনিয়ায় মো. জাহিদুর রহমান, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ছালাউদ্দিন ভূঞা, মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লিতে মো. মুরছালিন, জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার কুলকান্দিতে মো. জুবাইদুর রহমান, সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুরে আবদুল কাদির, হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়ায় শেখ মোজাহিদ বিন ইসলাম, নবীগঞ্জ উপজেলার দেবপাড়া মো. আবদুল মোহিত চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী উপজেলার কধুরখীলে শফিউল আজম, নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার পাঁচগাঁওয়ে সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, ফেনী জেলার দাগনভুঁঞা উপজেলার রামনগরে এ কে এম কামাল উদ্দিন (বিকম, বিএড), দাগনভুঁঞায় বেলায়েত উল্ল্যাহ, বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার নাইক্ষ্যংছড়ি সদরে তসলিম ইকবাল চৌধুরী, ঘুমধুমে এ কে এম জাহাঙ্গীর আজিজ ও  সোনাইছড়িতে এ্যানিং মার্মা।