এ বছর বিশ্বে ২ শতাংশ বেড়েছে গ্রিনহাউস গ্যাস :জাতিসংঘ

আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ২২:৪০

বায়ুমণ্ডলের যে সকল গ্যাস তাপীয় অবলোহিত সীমার মধ্যে বিকিরিত শক্তি শোষণ ও নির্গত করে সে সব গ্যাসকে গ্রিনহাউস গ্যাস বলে। গ্রিনহাউস প্রভাবের মূল কারণ এই গিনহাউস গ্যাসগুলো। পৃথিবীর বায়মণ্ডলে যে সকল গ্রিনহাউস গ্যাস রয়েছে তার মধ্যে কার্বন-ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, মিথেন গ্যাস, নাইট্রাস অক্সাইড, ওজোন গ্যাস, জলীয় বাষ্প অন্যতম। ১৭৫০ সালের শিল্প বিপ্লবের পর ২০১৭ সাল পর্যন্ত মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড বায়ুমণ্ডলে ৪০% কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাস বৃদ্ধি পেয়েছে। কার্বন-ডাই-অক্সাইডের এই বৃদ্ধির বেশিরভাগই ঘটেছে জীবাশ্ম জ্বালানি, কয়লা, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ানোর ফলে।

জাতিসংঘের সদ্য সমাপ্ত জলবায়ু সম্মেলনে গৃহীত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৪ থেকে ২০১৬ ঐ তিন বছরে পৃথিবীর গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ একই জায়গায় স্থির রাখা গেলেও গত দুই বছর ধরে উদ্বেগজনক হারে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন বেড়েছে। আর ২০১৮ সালের ডিসেম্বর নাগাদ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের হার বাড়বে অন্তত ২ শতাংশ।  ২০১৭ সালে বেড়েছিল ১.৬ শতাংশ। ডিসেম্বরের ৩১ তারিখ পর্যন্ত বিশ্বে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৭.১ গিগাটনে। জাতিসংঘের ঐ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন রোধ করা সম্ভব না হওয়ায় বেড়েছে টাইফুন, টর্নেডো, হারিকেন, ভয়ঙ্কর তাপপ্রবাহ ও দাবানলের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়। -আনন্দবাজার