মানহানির মামলায় জামিন পেয়েছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন। গতকাল রবিবার তার জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর হাকিম মো. তোফাজ্জেল হোসেন। পরে জামিন আদেশের অনুলিপি কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। এরপরই কারা কর্তৃপক্ষ ব্যারিস্টার মইনুলকে মুক্তি দেন।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী গত মঙ্গলবার ঐ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান মইনুল হোসেন। কিন্তু ঐ দিন জামিনের আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠান হাকিম তোফাজ্জেল হোসেন। এরপরই জামিনযোগ্য মামলায় মইনুল হোসেনকে জামিন না দেওয়ার তীব্র সমালোচনা করে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্যফ্রন্ট। এমনকি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জেল হোসেনের বিচারিক ক্ষমতা প্রত্যাহার চেয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীকে স্মারকলিপিও দেয়।
গত বছরের ২১ অক্টোবর মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টি। দণ্ডবিধির ৫০০, ৫০৬ ও ৫০৯ ধারায় এ মামলা করা হয়। এ মামলায় হাইকোর্ট মইনুল হোসেনকে জামিন দেন। পরে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত থেকে তিনি নিয়মিত জামিন পান। মঙ্গলবার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। গতকাল তার জামিন চেয়ে আবারও আবেদন করা হয়। ঐ আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এম আমিনুল ইসলাম ও মহিউদ্দিন চৌধুরী।
