আগাম নির্বাচন ইস্যুতে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে আজ ভোট

আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২২:১৯

ব্রিটেনে আগাম নির্বাচন ইস্যুতে পার্লামেন্টে আজ ভোটাভুটি হচ্ছে। তবে বিরোধী এবং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের দলের বিদ্রোহীরা বিপক্ষে ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন। ফলে বরিস জনসনের পরাজয়ের সম্ভাবনাই বেশি। এদিকে দেশটির কর্মসংস্থান ও পেনশন বিষয়ক মন্ত্রী আম্বার রাড পদত্যাগ করেছেন। তার স্থলে থেরেস কফিকে নিয়োগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বরিস। এদিকে ফ্রান্স ব্রেক্সিট বিলম্বের প্রস্তাবে ভেটো দেবে বলে জানিয়েছে। খবর বিবিসি ও দ্য গার্ডিয়ানের

পার্লামেন্টে আজ ফের ভোট

আগাম নির্বাচন ইস্যুতে আজ সোমবার পার্লামেন্টে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আবার রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ চুক্তিহীন ব্রেক্সিটের বিরুদ্ধে পার্লামেন্টে পাসকৃত বিলে স্বাক্ষর করবেন বলে জানা গেছে। রানি স্বাক্ষর করলেই বিলটি আইনে পরিণত হবে। এই আইন প্রধানমন্ত্রীর মানার বাধ্যবাধকতা আছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোমিনিক রাব জানিয়েছেন, অবশ্যই সরকার আইন মানবে। তবে এই আইনের ব্যাখ্যার বিষয়টি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে     যাচাই করবে সরকার। তারপর কতটুকু-কিভাবে মানা যায় সেই বিষয়টি পরীক্ষা করা হবে। তিনি বলেন, আইনটি ব্রাসেলসের সঙ্গে ব্রিটেনের আলোচনার ভিত্তিকে দুর্বল করে দেবে। ইতোমধ্যে আইন বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, আইন অমান্য করলে প্রধানমন্ত্রীকে জেলে যেতে হতে পারে। অর্থমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ বলেছেন, সরকার পুরোপুরিভাবে ইইউকে ব্রেক্সিট বিলম্বের প্রস্তাব দেবে না। ৩১ অক্টোবরের মধ্যেই ব্রিটেন ইইউ ত্যাগ করবে বলে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন। কিভাবে এটা করা হবে সেই প্রশ্নের জবাবে সাজিদ জাভিদ বলেন, এটা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। কারণ এখনো অনেক সময় বাকি।

পদত্যাগী মন্ত্রী আম্বার রাড জানিয়েছেন, সরকার ইইউর কাছে নতুন ব্রেক্সিট চুক্তির ব্যাপারে কোনো কিছু করেনি। দলের ২১ জন এমপিকে বহিষ্কার তাকে ক্ষুব্ধ করেছে উল্লেখ করে আম্বার রাড বলেন, এই সিদ্ধান্ত টোরি দলের প্রগতিশীলতাকে পিছিয়ে দেবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী পার্লামেন্টকে জনগনের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিচ্ছেন যা বিপজ্জনক। রাড ছাড়াও আরো অনেক মন্ত্রী পদত্যাগ করতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। বিরোধীরা আগেই বলেছিলেন, তারা আগাম নির্বাচন চান। কিন্তু ইইউ সম্মেলনের আগে তারা ভোট চান না। ফলে তারা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বরিসের বিপক্ষে ভোট দেবেন। অথচ আগাম নির্বাচন দিতে প্রধানমন্ত্রীকে পার্লামেন্টে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হবে যা বর্তমানে সম্ভব নয় বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ জেভেস লে দেরিয়ান বলেছেন, তারা ব্রেক্সিট বিলম্বের প্রস্তাবে ভেটো দেবেন। কারণ ডাউনিং স্ট্রিট বাস্তবসম্মত কোনো প্রস্তাব দেবে বলে মনে হয় না।