ইউএনডিপির দারিদ্র্য বিমোচন বিভাগের সাবেক পরিচালক ড. সেলিম জাহান বলেছেন, দেশে বিভিন্ন প্রেস্টিজ প্রজেক্ট (মর্যাদাবান প্রকল্প) নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এসবের সুফলের চেয়ে নেতিবাচক ফল বেশি হতে পারে। এসব প্রকল্পের অনেকগুলো ভবিষ্যত্ প্রজন্মের জন্য দায় হয়ে উঠতে পারে।
গত রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘টেকসই উন্নয়ন : ধারণা, পরিমাপ ও নীতিমালা’ শীর্ষক লোক বক্তৃতা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ পরিবেশ সাংবাদিক ফোরামের (এফইজেবি) ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঐ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এফইজেবির চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম চৌধুরী।
ড. সেলিম বলেন, টেকসই উন্নয়ন ধারণা পাঁচটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, পরিবেশ ও সংস্কতি টেকসই উন্নয়ন ধারণার সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে দুর্বলতা চিহ্নিত করে তার সমাধান প্রয়োজন। কারণ অর্থনৈতিক মন্দা, ভঙ্গুরতার পাশাপাশি রাজনৈতিক দুর্্বলতা প্রবৃদ্ধির জন্য নেতিবাচক হতে পারে।
এ সময় পরিবেশের নানা বিষয়ে সূচকের প্রসঙ্গ উলেখ করে তিনি বলেন, পরিবেশের সমস্যাগুলো এত জটিল, সেখানে একটা সূচকের মাধ্যমে বলা যাবে না কোন দেশকে পরিমাণ করছি। কোন দেশের নির্ণয়গুলোকে পাচ্ছি। এটা ঠিক হবে না। ড. সেলিম জাহান বলেন, বর্তমান সময়ে আমরা প্লাস্টিক খুব বেশি ব্যবহার করি। ব্যবহারের পরও এটা থেকে যায়। প্রতি মিনিটে ৩০ ট্রাকের মতো পাস্টিক বিশ্বের সমুদ্রসীমায় প্রবেশ করে। এই মহাসাগরগুলোকে আমরা কী পরিমাণে দূষিত করছি ?
তিনি বলেন, আমাদের দেশের নদীর নাব্য হচ্ছে উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে। সেখানে বিভিন্ন জায়গায় বাঁধ দেওয়া হয় পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে। ফলে যখন জোয়ার আসে এবং বাঁধে ঠেকে যায়, তখন বন্যা হয়।
