জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করেনি হাইকোর্ট। পরে তার আইনজীবীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে জামিন আবেদনটি ফেরত দিয়ে কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছে আদালত। বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি এ এস এম আবদুল মুবিনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বুধবার এই আদেশ দেন। আদালত বলেন, যেহেতু এই মামলায় ইতিপূর্বে করা জামিন আবেদনের ওপর একটি জ্যেষ্ঠ বেঞ্চ শুনানি গ্রহণ করে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন সেহেতু বিষয়টি আপিল বিভাগে নিয়ে যেতে পারেন। এর পরই আইনজীবীরা জামিন আবেদন ফেরত দেওয়ার আবেদন জানালে আদালত তা মঞ্জুর করে। এ সময় খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, এম মাহবুবউদ্দিন খোকন, কায়সার কামাল এবং রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও দুদকের পক্ষে খুরশীদ আলম খান উপস্থিত ছিলেন।
দুদক কৌঁসুলি বলেন, অন মেরিটে চ্যারিটেবল মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন একবার খারিজ হয়েছে। সেই একই বিষয়ে হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ কিভাবে শুনবে সেই ব্যাপারে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তার আইনজীবীরা। পরে আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছে আদালত।
গত ৩১ জুলাই বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ করে দেয়। এই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল না করে হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চে জামিন চেয়ে আবেদন করেন তিনি। ২০১৮ সালে দুটি দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে ১৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয় আদালত। এই সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার দুটি আপিল সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি জানান, খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপির কর্মসূচি প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেন, খালেদা জিয়া এতিমের এবং এতিমখানার টাকা চুরি করায় জেলে আছেন। তাকে যদি জামিন দিতে হয় এটা একমাত্র আদালতের এখতিয়ার। আদালত কী করবেন তা আদালতই ঠিক করবেন। গতকাল আখাউড়া রেলস্টেশনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
