জয়পুরহাটে বোরো চাল সংগ্রহে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১:২০

চলতি বোরো চাল সংগ্রহ মৌসুমে সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে ২৬ জন মিলমালিককে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার প্রতিবাদে বঞ্চিত মিলমালিকরা গতকাল বৃহস্পতিবার জেলা শহরের কেন্দ্রিয় মসজিদ চত্বরে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। জেলা ও সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে ঐ ২৬ মিলমালিকের সঙ্গে যোগসাজশে ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি করার অভিযোগ করা হয়।

জয়পুরহাট সদর উপজেলার বঞ্চিত হওয়া ৭৫ জন মিলমালিক বেলা ১১টায় মানববন্ধন কর্মসূচি শুরু করেন। এ সময় জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ এনে বক্তব্য রাখেন মেসার্স আমানুল্লাহ চালকলের মালিক আমান উল্লাহ, খন্দকার চালকলের মালিক দেলোয়ার হোসেন, সরকার চালকলের মালিক নজরুল ইসলাম, জেলা চালকল মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসনাত, জাহেদুর রহমান, বক্তার হোসেন প্রমুখ।

অভিযোগে বক্তারা বলেন, নীতিমালা উপেক্ষা করে ক্যাপাসিটি বাড়ানোর জন্য বড়ো ইলেকট্রিক মটর কেনার ভাউচার দিয়েই ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি করা হয়েছে। ১০০ জন মিলমালিকের সঙ্গে চাল সরবরাহের জন্য চুক্তি করা হলেও সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার যোগসাজশে ২৬ জন মিলমালিককে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়।

অভিযোগ অস্বীকার করে সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার মণ্ডল বলেন, সরকারি নীতিমালা মেনেই চাল কেনা হয়েছে। কোনো অনিয়ম করা হয়নি।

ক্যাপাসিটি বৃদ্ধির সুবিধাপ্রাপ্তদের মধ্যে জেলা চালকল মালিক সমিতির সভাপতি কে এম লায়েক আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি চাল দেওয়া শেষ করে হজে গিয়েছিলাম। সুবিধাবঞ্চিত চালকল মালিকরা মানববন্ধন কর্মসূচিতে যোগদান করেন।