বেনজির আবরার
সানজিদা খন্দকার। খুলনার মেয়ে জন্ম চট্টগ্রামে। বড় হয়েছেন আরেক শহর রাজশাহীতে। বাবা সরকারি অফিসার ছিলেন। বলা যায়, বাংলাদেশের মেয়ে সানজিদা ঘটিয়েছেন এক বিস্ময়কাণ্ড। শুনি তার মুখেই, ‘টু আওয়ার জব’ আইডিয়াটা এসেছে যখন দেখেছি আশে পাশের অনেককেই সন্তান হবার পর জব ছেড়ে দিতে দেখে। ভাবলাম, আইটি বর্তমানে এত এডভান্সড, জব কীভাবে তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়। যারা ৮ ঘণ্টা অফিস করতে পারছেন না, তারা কি অল্প সময়ের জন্য কিছু করতে পারেন না। যারা এরকম বাসায় বসে কার্যকরী কিছু কাজ করতে পারবেন এমনদের নিয়ে কাজ শুরু করি আমি। বর্তমানে ৪০০০ এর বেশি মেম্বার আমাদের, ৬০০ এর বেশি কর্মকর্তা। এরা নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। ছোট বেলা থেকে কালচারাল এক্টিভিটি এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন, রাজশাহী বেতারে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা প্রশাসন এ পড়েছেন স্কুল পি এন গার্লস হাইস্কুল। কলেজ ঢাকার ভিকারুননিসা। স্বামী ব্যারিস্টার, সুপ্রিম কোর্টে আছেন। দুই সন্তান। সর্বশেষ কাজ করেছি ট্রান্সকম লিমিটেডে। উদ্যোক্তা সানজিদা বললেন, ‘কর্মকর্তারা এখানে সুবিধা মতো কাজ করিয়ে নিছেন বিভিন্ন প্রফেশনাল মেয়ে দের দিয়ে। দুই পক্ষেরই সুবিধা হয় এতে, খরচ কমাতে অনেকেই এখন আউট সোর্স করে। কিন্তু ট্রাস্টেড আর প্রফেশনাল কিছু পায় না, আমাদের তারা এটাতে দারুণভাবে খুঁজে পাবে।
