সিরাজগঞ্জের বেলকুচির বিসমিল্লাহ্ আধুনিক হাসপাতালে প্রসূতিকে চার ঘণ্টা আটকে রাখায় গর্ভের সন্তানের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে হাসপাতালের পরিচালক আব্দুর রহমান ওরফে রহমান ডাক্তার সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিসে জোর তদবির চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এর আগেও এ হাসপাতালে বেশ কয়েকজন নবজাতকের মৃত্যুসহ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে।
প্রসূতি লিপি খাতুন (২২) শাহজাদপুর উপজেলার শিবপুর গ্রামের আব্দুল মোমিনের স্ত্রী। আব্দুল মোমিন বলেন, গত সোমবার বিকালে আমার স্ত্রীর প্রসব ব্যথা ওঠে। আমরা তাকে বেলকুচি বিসমিল্লাহ্? আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যাই। রোগীকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে হাসপাতালের নার্সরা জানান, স্বাভাবিকভাবে সন্তান প্রসব হবে। রোগী ভর্তি হওয়ার পর ডাক্তার আসবে বলেও আমাদের জানানো হয়। কিন্তু চার ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও ডাক্তার আসেনি। ওদিকে রোগীর অবস্থা অবনতি হতে থাকে। পরে নার্সরা আমাকে জানান, খুব দ্রুত সিজারিয়ান করা লাগবে, কিন্তু আমাদের এখানে ডাক্তার নেই। রোগীকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যান। এ অবস্থায় তাকে আমরা বেসরকারি ইউনাইটেড জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করি। তার সিজারিয়ান করা হলে সে মৃত সন্তান ভূমিষ্ঠ করে।
বেলকুচি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহাবুব হোসেন বলেন, ক্লিনিকগুলো নিয়ন্ত্রণ করে জেলা সিভিল সার্জন অফিস। আমাদের কোনো হাত নেই। সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, বিসমিল্লাহ্? আধুনিক হাসপাতালের বিরুদ্ধে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
