স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চায় শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদাত্ হোসেন! এর মধ্যে একাধিক পত্রিকায় বাংলা ও ইংরেজিতে বিবৃতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে মানবিক আবেদন করেছেন তিনি। এই মুহূর্তে দেশের বাইরে পালিয়ে থাকা শাহাদাত্ নিজেকে ছাত্রলীগ নেতা দাবি করে বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে তাকে সন্ত্রাসী বানানো হয়েছে। অথচ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধেই ছিল তার অবস্থান।
বিজ্ঞাপনে শাহাদাত্ উল্লেখ করেছেন, তিনি বর্তমানে মিরপুর থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। ২০০০ সালে যে কমিটি করা হয়েছিল, সেটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। যে কমিটি এখনো বহাল আছে। পারিবারিকভাবে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ২০০০ সালে বিএনপি সমর্থকরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে। এরপর ২০০১ সালে কাউন্সিলর শওকত আলী মাস্টার, ২০০২ সালে কাউন্সিলর আব্দুর রহমান নিউটন ও ২০০৬ সালে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হাজী মঞ্জু হত্যা মামলায় আসামি করে। তাকে আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে সরানোর জন্যই এসব মামলা দেওয়া হয় বলে দাবি শাহাদাতের।
দীর্ঘ ১৫ বছর দেশের বাইরে অবস্থান করা শাহাদাত্ দাবি করেছেন, সুযোগ পেলে তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চান। এই সময়ের মধ্যে তার মা মারা গেলেও শেষবারের জন্য মায়ের মুখটি দেখতে পারেননি। তাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার নিবেদন এসব ষড়যন্ত্রমূলক মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে একবারের জন্য স্বাভাবিক জীবনের সুযোগ দিন। শাহাদাতের দাবি, তার নামে যে চাঁদাবাজি হয় সেটার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাকে ফাঁসানোর জন্যই এই ধরনের অপকর্ম চলে বলে দাবি তার।
