নির্বাচনের মাত্র এক দিন আগে ছাত্রদলের কাউন্সিল গতকাল রাতে স্থগিত করেছে আদালত। একই সঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলসহ ১০ নেতাকে শোকজ করেছে আদালত। আগের কমিটির ধর্মবিষয়ক সহ-সম্পাদক আমান উল্লাহর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার চতুর্থ সহকারী জজ আদালতের বিচারক নুসরাত জাহান বীথি এ আদেশ দেন।
কাউন্সিল অস্থায়ী স্থগিতের পাশাপাশি এ ব্যাপারে বিএনপিকে সাত দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়েছে। রাতেই আদালতের রায়ের কপি বিএনপির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে কেউ তা গ্রহণ করেননি। এদিকে আবেদনকারী আমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
আদালতের এমন নির্দেশ শোনার পর বিএনপিসহ দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশার সৃষ্টি হয়। কার ইন্ধনে এ স্থগিতাদেশ চাওয়া হলো—সেটাই এখন আলোচনার মূল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইন্ধনদাতাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। এদিকে আদালতের স্থগিতাদেশের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর গতকাল রাতে জরুরি বৈঠকে বসেন নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়।
জানা গেছে, আবেদনকারী আমানের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা। তিনি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ১০ জনকে বিবাদী করেছেন। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আদেশে বলেছে, নোটিশপ্রাপ্তির সাত দিনের মধ্যে বিবাদীগণকে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। এ পর্যন্ত কাউন্সিল স্থগিত রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয়। দীর্ঘ ২৭ বছর পর শনিবার ছাত্রদলের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
