ড্রোন পরিচালনা ও আমদানির নীতিমালা চূড়ান্ত পর্যায়ে

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:৫২

ড্রোন পরিচালনা ও আমদানির জন্য নীতিমালা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী। গতকাল সংসদের প্রশ্নোত্তরে তিনি একথা জানান।

সরকারি দলের এমপি মোরশেদ আলমের প্রশ্নের জবাবে বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, কিছু উত্সাহী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বিনাঅনুমতিতে বাংলাদেশের আকাশসীমায় আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিক্যাল সিস্টেম, রিমোট কন্ট্রোল বিমান বা  খেলনা বিমান ইত্যাদি ওড়াচ্ছেন। এতে দেশি-বিদেশি বিমান, হেলিকপ্টার এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন সামরিক বিমানের সঙ্গে আকস্মিক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দেশে কী পরিমাণ ড্রোন রয়েছে সেটির তথ্য সরকারের কাছে নেই উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, ড্রোন পরিচালনা ও আমদানির বিষয়ে নীতিমালা তৈরি চূড়ান্ত পর্যায়ে। এই নীতিমালায় ড্রোনের আকার, রেজিস্ট্রেশন ও উড্ডয়ন সম্পর্কিত তথ্যাদিসহ অন্যান্য তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে। নীতিমালা প্রকাশের পর ড্রোন সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য রাষ্ট্রীয়ভাবে সংরক্ষিত থাকবে।

ওয়াসিকা আয়শা খানমের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী জানান, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বিমানের আয় ৫ হাজার ৭৯০ কোটি টাকা, ব্যয় ৫ হাজার ৫১৮ কোটি টাকা। বিএনপির রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে বিমান প্রতিমন্ত্রী জানান, উড়োজাহাজের জ্বালানি তেলের দাম ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি, উড়োজাহাজের লিজ খরচ বৃদ্ধি, বৈদেশিক ঋণের সুদ বাবদ খরচ বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বৃদ্ধি এবং ক্রুদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ২০১৭-১৮ সালে বিমানের লোকসান হয়েছে।

ন্যায্যমূল্য না পেয়ে কৃষকরা ক্ষুব্ধ : কৃষিমন্ত্রী

এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, কৃষকরা ধান বিক্রি করে ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় তাদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। এটি নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমরা প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নে কৃষকদের তালিকা তৈরি করে তা টানিয়ে  দেব।

ইউক্যালিপটাস গাছ কেটে ফেলা হবে : সরকারি দলের এমপি শহীদুজ্জামান সরকারের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন উপমন্ত্রী হাবিবুন্নাহার বলেন, ইউক্যালিপটাসসহ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর গাছ কেটে ফেলা হবে। জাতীয় পার্টির (জাপা) পীর ফজলুর রহমান প্রশ্ন করেন, জলবায়ু ফান্ডের টাকায় কর্মকর্তারা বিদেশ সফর করছেন, এটা সত্য কি না? জবাবে হাবিবুন্নাহার বলেন, যে ফান্ডের টাকায় বিদেশ সফরের কথা বলা হচ্ছে সেখানে টাকার পরিমাণ বেশি নেই। আমি অল্প কিছুদিনে দেখেছি, কেউ বিদেশ যাননি। বিদেশে যারা যাচ্ছেন তারা বিদেশের ফান্ডে যাচ্ছেন।

গেজেটভুক্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ৩২২ : দিদারুল আলমের প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক সংসদকে জানান, দেশে গেজেটভুক্ত নারী মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৩২২ জন।