গাইবান্ধা প্রতিনিধি
গাইবান্ধার সাতটি উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ হাজার ৬০টি শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। তারমধ্যে প্রধান শিক্ষকের পদ ১১৯টি ও সহকারী শিক্ষকের পদ ৯৪১টি। ফলে জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলার সাতটি উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংখ্যা ১ হাজার ৪৬৪টি ও ছাত্রছাত্রী সংখ্যা পাঁচ লক্ষাধিক। এরমধ্যে ১১৯টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। উপজেলা ওয়ারি প্রধান শিক্ষক নেই গাইবান্ধা সদর উপজেলায় চার জন, পলাশবাড়ীতে ১৬ জন, ফুলছড়িতে ২২ জন, সুন্দরগঞ্জে ৪১ জন, সাঘাটায় ২০ জন, গোবিন্দগঞ্জে ১৫ জন ও সাদুল্লাপুরে একজন। অপরদিকে জেলায় ৯৪১টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এরমধ্যে গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ১৬৮ জন, গোবিন্দগঞ্জ ১৫০ জন, পলাশবাড়ী ২০০ জন, ফুলছড়ি ১৫১ জন, সাদুল্লাপুরে ১১৫ জন, সাঘাটায় ৮৪ জন এবং সুন্দরগঞ্জ ৭৩ জন। ফলে ঐসব বিদ্যালয়ে মারাত্মকভাবে পাঠদান ব্যবহূত হচ্ছে। পার্শ্ববর্তী কুপতলা গ্রামের অভিভাবক রফিকুল ইসলাম বলেন, এমনিতেই প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী বেশি। এ কারণে একটি বিদ্যালয়ে পাঁচ জন শিক্ষক থাকলেও শিক্ষার্থীদের সামাল দিতে তাদের হিমশিম খেতে হয়। উপরন্তু যেসব বিদ্যালয়ে দুই-তিন জন শিক্ষক আছেন, সেসব বিদ্যালয়ে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।
গাইবান্ধা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হোসেন আলী বলেন, প্রধান ও সহকারী শিক্ষকরা অবসরে যাওয়ার কারণে পদ শূন্য হচ্ছে। তবে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক নেই, সেখানে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, প্রয়োজনীয় শিক্ষক চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। এছাড়া সম্প্র্রতি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এই পরীক্ষার কার্যক্রম সম্পন্ন হলে এখান থেকে কিছু শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণ করা যাবে।
