ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউজ অব কমন্সের স্পিকার জন বারকো হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, সরকার আইন না মানলে পার্লামেন্টও ছাড় দেবে না। স্পিকারের এই বক্তব্যকে ‘রাজনৈতিক’ বলে উল্লেখ করেছেন ব্রেক্সিটপন্থি এমপি। আর প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, তিনি কারো কথায় ৩১ অক্টোবরের পর ব্রেক্সিট পেছাবেন না। খবর বিবিসির
স্পিকার বারকো বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন যদি চুক্তিহীন ব্রেক্সিটবিরোধী আইন অমান্য করেন, তাহলে পার্লামেন্ট তার সাহস দেখাবে। ‘কেবল সম্ভাব্য ব্রেক্সিটকেই সমর্থন দেবেন এমপিরা’ উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, আইন অমান্যের ঘটনা সমাজের বাকি অংশের জন্য ভয়ংকর উদাহরণ সৃষ্টি করবে। পার্লামেন্ট স্থগিত হওয়ার আগেই এমপিরা চুক্তিহীন ব্রেক্সিটের বিরুদ্ধে একটি বিল পাশ করেন যা পরে উচ্চকক্ষ হাউজ অব লর্ডসে পাশ হওয়ার পর রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের অনুমোদনে আইনে পরিণত হয়। ক্ষমতাসীন টোরি দলের ব্রেক্সিটপন্থি এমপি স্যার বার্নার্ড জেনকিন বলেন, স্পিকারের ভূমিকা রাজনৈতিক ও মৌলবাদী মনে হচ্ছে যা তার কাছে প্রত্যাশা করা যায় না।
আগামী ১৯ অক্টোবরের মধ্যে যদি পার্লামেন্টে চুক্তিসহ বা চুক্তি ছাড়া ব্রেক্সিট পাশ না হয় তাহলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কাছে ব্রেক্সিটের জন্য সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন করতে হবে প্রধানমন্ত্রীকে। তবে প্রধানমন্ত্রী বরিস বলেছেন, তিনি কারো কথায় ব্রেক্সিট পেছাবেন না। একটি চুক্তি হওয়ার আশা প্রকাশ করে বরিস বলেন, ৩১ অক্টোবরই ইইউ ত্যাগ করবে ব্রিটেন। যদিও ব্রেক্সিট নিয়ে ইইউর প্রধান সমঝোতাকারী মাইকেল বার্নিয়ার বলেন, তিনি আশাবাদী হওয়ার কোনো সুযোগ দেখছেন না। আগামী সোমবার বার্নিয়ার ও ইইউ কমিশনের প্রেসিডেন্ট জ্যঁ ক্লদ জাঙ্কারের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।
