ভারত-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক বিনিময় কেন্দ্রের যাত্রা শুরু

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১:৫৬

বাংলাদেশ ও ভারতের বাঙালির সাংস্কৃতিক ভাবনা একই। এই ভাবনা, বন্ধন আরো দৃঢ় করার অঙ্গীকার নিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতায় যাত্রা শুরু করল ভারত-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক বিনিময় কেন্দ্র। ধর্মের নামে সহিংসতা জাতিগত বিদ্বেষ, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শান্তির বাণী শোনান ও একটি প্রেমময় পৃথিবী গড়ার লক্ষ্যে এই কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠা।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলকাতায় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবাহী জোড়াসাঁকোর ঠাকুর বাড়ির উদয়শঙ্কর মিলনায়তনে নতুন সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো। সংগঠনের সভাপতি কবি ও চিত্রশিল্পী জামাল হোসেন, সম্পাদক অধ্যাপক চিত্ত মণ্ডল। আত্মপ্রকাশ উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ থেকে যোগ দেন একঝাঁক কবি, সাহিত্যিক ও শিল্পী।

স্বাগত ভাষণে সংগঠনের সভাপতি জামাল হোসেন বলেন, এটি একটি অরাজনৈতিক মতবিনিময়ের প্ল্যাটফর্ম। এই প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশ, ভারতসহ বিশ্বের সব বাঙালি সংস্কৃতি ও সাহিত্যের মাধ্যমে নিজেদের চিন্তাচেতনা তুলে ধরতে পারবে। সংগঠনের সম্পাদক চিত্ত মণ্ডল বলেন, দুই দেশসহ বিশ্বের বাংলাভাষী মানুষের সঙ্গে এক নতুন ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে এই উদ্যোগ।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কলকাতার রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সব্যসাচী বসুরায় চৌধুরী বলেন, ‘এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময় আরো জোরদার হবে। আমরা পরস্পর আরো কাছাকাছি আসতে পারব। দৃঢ় হবে সংস্কৃতির বন্ধন।’

অভিনেতা রজতাভ দত্ত বলেন, ‘আমার মা-বাবা তো বাংলাদেশে ছিলেন। বাংলাদেশের সঙ্গে আমার নাড়ির টান রয়েছে। সাংবাদিক দিলীপ চক্রবর্তী মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণা করেন। কবি সাইফুল্লাহ আল মামুন বলেন, দুই বাংলার অবস্থান ভিন্ন কিন্তু আত্মা এক। সংস্কৃতির মাধ্যমে বিশ্ব বাঙালি এক হয়ে পথ চলবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের কবি সাইফুল্লাহ আল মামুন, ওবায়েদ আকাশ, রাহেল রাজীব, মনিরুজ্জামান মিন্টু, ভারতের  কাজল চক্রবর্তী, মানিক দে, কাকলি ঘোষ ও নৃত্যশিল্পী বারুরীকে সম্মাননা দেওয়া হয়।