চরফ্যাশন উপজেলা সদর হাসপাতালে ছালমা আক্তার নামের পাঁচ মাসের এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ভুল ইনজেকশন পুশের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নার্স শিখা রানীর সঙ্গে গতকাল শুক্রবার ওই নারীর স্বজনদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। নার্সদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে এক ঘণ্টা সেবা বন্ধ রাখে নার্সরা। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. সিরাজ উদ্দিন এবং আবদুল্যাহপুর ইউপি চেয়ারম্যান আল এমরান প্রিন্সের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
ছালমার স্বামী নজরুল ইসলাম বলেন, জ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় আমার স্ত্রীকে বৃহস্পতিবার চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ‘সুরমা ড্রাগ হাউজ’ থেকে ওষুধ কিনি। কিন্তু দোকান মালিক মাহাবুব ওষুধ পরিবর্তন করে রক্সা ডেক্স ইনজেকশনের পরিবর্তে লিন্ডাডেক্স ইনজেকশন দেন। ওষুধ এনে নার্স শিখা রানীর হাতে দেয়ার পর তিনি ওই ইনজেকশনটি পুশ করতে গেলে আমার স্ত্রী সেটি দেখতে পেয়ে ইনজেকশনটি পুশ করতে নিষেধ করেন। আমার স্ত্রী সূর্যের হাসি ক্লিনিকে চাকরি করে। আমার স্ত্রীর জানা ছিল, ইনজেকশনটি ব্যথা বাড়ানোর জন্য ডেলিভেরির আগে রোগীকে পুশ করা হয়। এ কারণে তিনি ইনজেকশন পুশ করতে নিষেধ করলেও নার্স তা না শুনে পুশ করেন।
