মীরজুমলা সড়কে ঢুকতেই দুর্গন্ধ

আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:২৬

হাবিবুর রহমান বাদল, নারায়ণগঞ্জ

সিরাজউদ্দৌলা সড়ক থেকে দিগু বাবুর বাজারে ভেতরে মীর জুমলা সড়কে প্রবেশ করতেই নাকে ভেসে আসে উটকো দুর্গন্ধ। এদিক সেদিক তাকিয়ে কিছু খুঁজে না পেয়ে কিছুটা ভেতরে যেতেই দেখা যায় মুরগি বিক্রেতারা বাজারের পাশে রাস্তার ওপর মুরগি জবাই করে সেখানেই পরিষ্কার করছে। নাড়িভুঁড়ি, রক্তসহ উচ্ছিষ্ট দিনভর সেখানেই ফেলে রাখা হচ্ছে। এসব পচেই পুরো এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

জানা যায়, নগরবাসীর অবাধ চলাচলের জন্য গত ২৭ জুন রাতে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের নির্দেশে সদর মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে মীর জুমলা সড়কে উচ্ছেদ অভিযান চলে। উচ্ছেদ করা হয় সড়কের ওপর ভ্রাম্যমাণ মুরগি ব্যবসায়ীসহ অন্য ব্যবসায়ীদের। কিন্তু দুই মাসের ব্যবধানে সড়কটি আবারও দখল করে নিয়েছে ব্যবসায়ীরা। সড়কের ওপর মুরগি জবাই করে সেখানেই নাড়িভুড়ি, রক্ত ফেলা হচ্ছে। এসব আবর্জনা সামান্য বৃষ্টিতেই পানির সাথে ধুয়ে সড়কে ছড়িয়ে পড়ছে। এগুলো পঁচেই প্রচণ্ড দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বাজার করতে আসা লোকজনদের।  দিগুবাবুর বাজারের স্টেশনারি সড়কে রয়েছে বড়ো মুরগির বাজার। সেখানে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে রয়েছে মুরগি জবাই ও কাটার জন্য নির্ধারিত জায়গা। ক্রেতাদের বড়ো একটি অংশ মীর জুমলা সড়ক থেকে মুরগি কেনায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন নাসিককে ট্যাক্স দিয়ে ব্যবসা করা ব্যবসায়ীরা। বাজারে আসা মেহেদী হাসান নামে একজন বলেন, মুরগি কেনাবেচার জন্য নির্দিষ্ট স্থান থাকতেও রাস্তায় অবৈধভাবে বসছে মুরগির বাজার। মুরগি জবাই করে ময়লাগুলো সড়কের ওপরেই ফেলে যাচ্ছে বিক্রেতারা। বৃষ্টির পানির সাথে এসব ময়লা পুরো সড়কে ছড়াচ্ছে। দুর্গন্ধে রাস্তা দিয়ে হাঁটা যায় না। আর কিছু ক্রেতা একটু কষ্ট করে বাজারের ভেতরে না গিয়ে রাস্তা থেকে মুরগি কিনে বিক্রেতাদের উত্সাহিত করছে। এ ব্যাপারে সিটি করপোরেশনকে উদ্যোগ নিতে হবে। তবে যতটুকু দেখেছি সিটি করপোরেশন পানি দিয়ে সড়ক পরিষ্কার করে না। ফলে রক্ত ও মুরগির বিষ্টা রাস্তার ওপরেই পড়ে থাকে। যে কারণে দুর্গন্ধ ছড়ায়। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন হিরণের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তিনি ফোন ধরেননি।