কৌতুক

আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৯:২৫

  মোহাম্মদ অংকন

 

এক.

বেচারা তিতুমীর যখন বাঁশের কেল্লা তৈরি করেন, তখন বাঁশ পাওয়াই যেত না, বাঁশের অনেক দাম ছিলন আর কেউ কাউকে বাঁশ দিতই না!

এই বাঁশের যুগে এসে যদি বানাত, তাহলে কত্ত না সহজেই হতো!

কিভাবে?

এখন মানুষ মানুষকে উঠতে বসতে অনায়াসে বাঁশ দেয়, বলে! এই যেমন, আমি তোমাদের বাঁশ দিচ্ছি। বাঁশের দাম সস্তা পেয়ে আমার এক শিষ্য রডের পরিবর্তে বাঁশ দিয়ে বিল্ডিং দিচ্ছে। হা হা হা!

 

দুই.

নতুন নতুন সেকেন্ড হ্যান্ড একটা গাড়ি কিনেছি। এক বন্ধু আমাকে বলল, ‘এই দোস্ত, তুই  নাকি নতুন গাড়ি কিনছস?’

গাড়ি দেখিয়ে বললাম, ‘হয় রে! কিনছি একটা!’

গাড়ির অবস্থা দেখে বলল, ‘এই তোর নতুন গাড়ি?’

আমি বন্ধুরে বললাম, ‘আরে ভাই, আমি তো নতুন নতুন গাড়ি কিনছি!’

 

তিন.

নতুন বিয়ে করলাম। বাসর ঘরে বউ আমাকে বলল, ‘এই শোনো, তোমার পরিবারের লোক মানে আমার পরিবারের লোক আর আমার পরিবারের লোক মানে তোমার পরিবারের লোক। তাই আজ থেকে আমার বাবাকে বাবা বলবে, আমার মাকে মা বলবে। আর...’

আমি ভয়ে বৌয়ের সঙ্গে সুর মিলিয়ে বললাম, ‘আর তোমাকে বোন বলব, হি হি। আজ থেকেই তুমি ঐ ঘরে আর আমি এই ঘরে থাকব। না না, আমি ঐ ঘরে আর তুমি এই ঘরে থাকবে। হা হা হা!’

 

চার.

আব্বাকে সঙ্গে করে আমি বিয়ে করার জন্য মেয়ে দেখতে গেছি। মেয়ের মা আমার মুখে দাড়ি দেখে আমাকে বললেন, ‘বেয়াই সাহেব, ঐটা কি আপনার বড় ছেলে, যাকে বিয়ে করাবেন?’

আব্বা লজ্জাজনকভাবে বললেন, ‘আমিই ছেলের বাবা।’

যাই হোক, বিয়ে পাকাপোক্ত হলো।

বিয়ের দিন। মেয়ের মা আমার মুখে দাড়ি না দেখতে পেয়ে বাবাকে বললেন, ‘বেয়াই সাহেব, এ কী করলেন? বিয়ে ঠিক করলেন বড় ছেলের সাথে আর বিয়ে করাতে এনেছেন ছোট ছেলে কে? এ বিয়ে হবে না।’

আব্বা তখন হাসতে হাসতে বললেন, ‘ছেলে তো আমার একটাই। কখনো রবীন্দ্রনাথ, কখনো নজরুল, যার জন্য এত ভুল।’

 

পাঁচ.

এক মেয়ে চায়না যাবে ডাক্তারি পড়তে। তো আমি তাকে বললাম, ‘কত খরচ লাগবে?’

মেয়েটি বলল, ‘এই ধর পাঁচ-ছয় লাখ।’

তখন আমি বললাম, ‘ও আমার যা লাগে লাগুক, তা যদি ডাক্তার একটা বউ পাই!’

 

ছয়.

সবাই আমাকে বলে, ‘তুমি কোথায় থাকো?’

আমি বলি, ‘ঢাকা থাকি।’

সবাই ভাবে, আমি ঢাকা শহরে থাকি। যদিও সত্য! কিন্তু আমি তো সারাদিন কম্বলে ‘ঢাকা’ থাকি! হে হে হে!

বিইউবিটি, ঢাকা